সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

আহত মুন্নাকে দেখতে হাসপাতালে ড্রীম সিলেট চেয়ারম্যান



ডেস্ক রিপোর্ট:: সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতলে আহত জহিরুল ইসলাম মুন্নাকে দেখতে যান ড্রীম সিলেট ডট কমের চেয়ারম্যান শেখ তোফায়েল আহমদ সেপুল।

গতকাল শুক্রবার রাতে তিনি ওসমানী হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৬ নং ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন মুন্নার শয্যা পাশে বসে তার খোজখবর নেন।

উল্লেখ্য গত বুধবার জকিগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ তাপাদার তার গাড়িতে হাত দেওয়ার ‘অপরাধে’ মুন্নাকে বেধড়ক পিটিয়ে আহত করেন। প্রথমে শিশুটিকে জকিগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে বৃহস্পতিবার সকালে তাকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আনা হয়।

মুন্না জকিগঞ্জ পৌরসভার হাইদ্রাবন্দ এলাকার মৃত ছরফই মিয়ার ছেলে ও নরসিংহপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র।

গত বছরের অক্টোবরের শেষ দিকে অসুস্থ এক শিক্ষিকার শ্রেণিকক্ষে ঘুমিয়ে পড়ার ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়ে দেশব্যাপী সমালোচিত হয়েছিলেন তিনি। এবার শিশু নির্যাতনের বিষয়ে তিনি বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যানের সরকারি গাড়ির ক্ষতি করায় মুন্নাকে চড় দেওয়া হয়েছে। অমানবিকভাবে মারধর করা হয়নি।

স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, বুধবার সকালে স্কুলে যাচ্ছিল মুন্না। এ সময় হাইদ্রাবন্দ সড়ক দিয়ে যাচ্ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ইকবাল আহমদ। গাড়ি দেখে দৌড়ে এসে কাচে হাত দেয় মুন্না। আর এতেই খেপে ওঠেন চেয়ারম্যান। তিনি গাড়ি থেকে নেমেই মুন্নাকে অমানবিকভাবে মারধর করতে থাকেন। উপস্থিত লোকজন চেয়ারম্যানের কবল থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে স্থানীয় স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।