শনিবার, ২৩ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৯ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
সিলেটে ফিরে নেতাকর্মীদের ভালবাসায় সিক্ত কামরান  » «   বন্যায় সবজি খেত বিনষ্ট, কমলগঞ্জে কাঁচা বাজারে আগুন  » «   পাঁচ জনকে পেছনে ফেলে কামরানের মনোনয়ন জয়: নগরীতে আনন্দ মিছিল  » «   সিলেটে দলীয় সমর্থন আদায়ে আ’লীগ-বিএনপি নেতাদের দ্বারে দ্বারে কাউন্সিলর প্রার্থীরা  » «   চুনারুঘাটে রাত পোহালেই আমু চা বাগানের শ্রমিকদের নির্বাচন  » «   সিলেটে পুলিশের সাথে ছাত্রদলের সংঘর্ষ: আটক ১৫  » «   ভারতীয় কাশ্মীরে বন্দুকযুদ্ধ, পুলিশসহ নিহত ৬  » «   আ’লীগের নিজস্ব ভবন উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী  » «   পাঁচ জেলায় সড়কে প্রাণ গেল ৩২জনের  » «   শুভ জন্মদিন বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ: এড শাকী শাহ ফরিদী  » «  

হবিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে পুলিশের গুলি ও লাঠিচার্জ: গুলিবিদ্ধসহ আহত ৩০



হবিগঞ্জ প্রতিনিধি:: বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে হবিগঞ্জে বিএনপির বিক্ষোভ মিছিলে গুলি ও লাঠিচার্জ করেছে পুলিশ। এ নিয়ে পুলিশের সাথে বিএনপি নেতাকর্মীদের ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া হয়। গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হয়েছে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের অন্তত ৩০ নেতাকর্মী।

এরপূর্বে ডিবি ওসি শাহ আলমের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ মেয়র জি কে গউছকে আটক করে নিয়ে যেতে চাইলে এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয় বলে অভিযোগ বিএনপির।

মঙ্গলবার সকাল ১১টার দিকে বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবীতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে মেয়র জি কে গউছের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিল করার চেষ্টা করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা। এ সময় ডিবির ওসি শাহ আলমের নেতৃত্বে বিপুল সংখ্যক পুলিশ বাঁধা দেয়।

এ নিয়ে মেয়র জি কে গউছের সাথে সদর থানার ওসি ইয়াছিনুল হক ও ডিবির ওসি শাহ আলমের চরম বাক-বিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে মেয়র জি কে গউছকে পিস্তল দেখিয়ে গুলি করার হুমকি দেন ডিবির ওসি শাহ আলম। এ সময় মেয়র জি কে গউছকে আটক করে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে পুলিশ। এতে পরিস্তিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠে।

এ সময় বিক্ষোভ মিছিলটি চত্রভঙ্গ করতে পুলিশ ব্যাপক লাঠিচার্জ করে এবং গুলি নিক্ষেপ করে। এতে জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক মিয়া মোঃ ইলিয়াছ, জেলা ছাত্রদলের সভাপতি এমদাদুল হক ইমরান, সিনিয়র সহ সভাপতি জিল্লুর রহমান, সদর উপজেলা যুবদলের সহ সভাপতি অলিউর রহমান অলি, জেলা যুবদল নেতা বাদশা সিদ্দিকী, আবুল বাশার ইসা, হাজী মতিনসহ ৩০ নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হয়। খবর পেয়ে উপস্থিত হন হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হায়তুন্নবী।

তিনি এসে মেয়র জি কে গউছকে ছেড়ে দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এ ঘটনায় পৌরসভার স্টাফ ফারুক আহমেদ ও মজলিশপুর গ্রামের কাজল মিয়া নামের এক পথচারীকে আটক করা হয়।
এ ব্যাপারে সদর থানার ওসি ইয়াছিনুল হক জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে ৩০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ারসেল নিক্ষেপ করে।