সোমবার, ১৮ জুন ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৪ আষাঢ় ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
টাঙ্গাইলে বাসচাপায় প্রাণ গেল মোটরসাইকেলের ৩ আরোহীর  » «   সোমবার থেকে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা শিক্ষকদের  » «   বাবার জন্যে ভালোবাসা: এড. শাকী শাহ ফরিদী  » «   বিশ্ব বাবা দিবস আজ  » «   সংবাদ সম্মেলনে ফখরুল: যেকোনো সময় প্যারালাইজড হয়ে যেতে পারেন খালেদা জিয়া  » «   সিলেট নগরীর শিবগঞ্জে ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র নিহত ১  » «   দুর্দান্ত আইসল্যান্ডে শুরুতেই হোঁচট আর্জেন্টিনার!  » «   জগন্নাথপুরে সংঘর্ষে নারী ও শিশু সহ আহত ১১  » «   যুক্তরাষ্ট্রে ধর্মীয় উৎসব আমেজে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত, প্রেসিডেন্ট দম্পতির ঈদ শুভেচ্ছা  » «   চুনারুঘাটে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, নতুন নতুন এলাকাপ্লাবিত  » «  

প্রবাসী শ্রমিকদের উপর আরোপ করা লেভি বাতিলের আবেদন ব্যবসায়ী সংগঠন’র



সেলিম আহমেদ সৌদি আরব প্রতিনিধিঃ চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সৌদি আরবে কর্মরত প্রত্যেক প্রবাসী কর্মীর জন্য কোম্পানীগুলোর কাছ থেকে ৪০০ সৌদি রিয়াল করে আদায় করতে শুরু করেছে সৌদি সরকার। যেসব কোম্পানীতে কর্মরত প্রবাসী শ্রমিকের সংখ্যা সৌদি নাগরিকের চেয়ে বেশি, সেসব কোম্পানীর কাছ থেকে এই ফি আদায় করা হয় ।
অন্যদিকে, যেসব কোম্পানীতে সৌদি শ্রমিক আর প্রবাসী শ্রমিকের সংখ্যা সমান সেসব কোম্পানীতে প্রত্যেক প্রবাসী শ্রমিকের জন্য ৩০০ সৌদি রিয়াল করে আদায় করে সৌদি সরকার । সম্প্রতি জেদ্দা চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, দেশটির শ্রম ও সামাজিক মন্ত্রণালয়ের কাছে এই ফি বাতিলের আবেদন জানিয়েছে । তারা বলেছে, যেসব কোম্পানীতে কর্মরত সৌদি এবং প্রবাসী শ্রমিকের সংখ্যা সমান সেসব কোম্পানীকে এই লেভি থেকে রেহাই দেয়া উচিত। জেদ্দা চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি এ রকম আরো ৭টি প্রস্তাব পাঠিয়েছে শ্রম মন্ত্রণালয়ের কাছে । বলা হয়েছে, যেসব প্রবাসী শ্রমিককে এক্সটি ভিসা দেয়া হয়েছে তাদের ক্ষেত্রে এই লেভি আদায় করা উচিত নয় । সৌদি গেজেটে প্রকাশিত এক খবরে এসব তথ্য জানানো হয়েছে ।  প্রবাসী শ্রমিকদের ক্ষেত্রে এই ফি বা লেভি ২০১৯ সালে প্রবাসী শ্রমিক প্রতি বেড়ে দাঁড়াবে ৬০০ সৌদি রিয়ালে এবং ২০২০ সাল থেকে হবে ৮০০ সৌদি রিয়াল। আর যেসব কোম্পানীতে সৌদি আর প্রবাসী শ্রমিকের সংখ্যা সমান, সেসব কোম্পানীতে ২০১৯ সালে প্রবাসী শ্রমিক প্রতি লেভির পরিমাণ হবে ৫০০ সৌদি রিয়াল এবং ২০২০ সালে ৭০০ সৌদি রিয়াল । জেদ্দা চেম্বার এক হিসাব দিয়ে বলছে, এসব লেভির কারণে ১৫.৬% শতাংশ ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধের পথে এবং ১১% ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আর্থিক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। শুধু জেদ্দা চেম্বার নয়, সৌদি ব্যবসায়ীদের আরো বেশ কয়েকটি সংগঠন শ্রম মন্ত্রণালয়ের কাছে এসব ফি আদায় বন্ধের আবেদন করেছে ।