মঙ্গলবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ ফাল্গুন ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর

দেশের যুবসমাজ সু-সংগঠিত হলে রাষ্ট্র বিকশিত হয়- ওমর ফারুক



সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা

ডেস্ক নিউজ:: বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ সিলেট জেলা ও মহানগর শাখার উদ্যোগে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার সিলেট আলীয়া মাদ্রাসা মাঠের জনসভা সফল করার লক্ষে সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি সভা অনুষ্ঠিত হয়।

আজ মঙ্গলবার সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় প্রধান অতিথি যুবলীগ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ওমর ফারুক চৌধুরী বলেন- বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ দেশ ও জাতির কল্যানে কাজ করে। দেশ ও জাতিকে এগিয়ে নিতে যুবলীগ অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে।

যুবলীগের রাজনীতির দৃষ্টান্ত রেখে যুবসমাজকে সকল ধরনের অপরাধ কর্মকান্ড থেকে বিরত রাখতে সক্ষম হয়েছে। দেশকে এগিয়ে নিতে যুবসমাজের ভূমিকা অপরিসীম। দেশের যুবসমাজ সুসংগঠিত হলে রাষ্ট্র বিকশিত হয় বলে তিনি মন্তব্য করেন।

তিনি আরো বলেন- যুবলীগের রাজনীতি মেধা ও মননের দ্বারা পরিচালিত হয়ে দক্ষ ও আলোকিত যুবশক্তি তৈরী করছে। যুবলীগ প্রতিষ্টালগ্ন থেকে দেশের প্রতিটি আন্দোলন সংগ্রামে কাজ করে যাচ্ছে। যুবলীগ বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার বিশ্বশান্তির দর্শন নিয়ে জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী। পৃথিবীর বিভিন্ন রাষ্ট্র প্রধানের সম্পদ নিয়ে জরিপ করা হলে সেখানে আমাদের নেত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা দুর্নীতিমুক্ততে ৩য় স্থান পেয়েছেন। তিনি যে আমাদের নেত্রী সেটা আমাদের সৌভাগ্য। তাঁকে আমাদের অন্তরে লালন করে দেশকে এগিয়ে নিতে হবে। তিনিই বিশ্ব শান্তির দর্শন ও জনগণের ক্ষমতায়ন।

রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার উন্নয়ন কর্মকান্ডকে ত্বরান্বিত করে ২০৪১ সালের মধ্যে দেশকে উন্নত রাষ্ট্রের কাতারে নিয়ে যেতে দক্ষ ও আলোকিত যুবসমাজের কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে বলেন- দক্ষ ও আলোকিত যুবসমাজ রাষ্ট্রনায়কের এই দর্শনকে সামনে রেখে মেধার চর্চা করে আসছে যুবলীগ। মেধাভিত্তিক ও মূল্যবোধ সম্পন্ন যুব সমাজ গড়তে সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

বিএনপি জামায়াত জোটের তালেবানী পায়তারা মুক্ত করেছিলেন রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা। যদি তিনি ৫ই জানুয়ারির নির্বাচনে জয়ী না হতেন, তাহলে ক্ষমতায় গিয়ে বিএনপি বাংলাদেশকে তালেবানের রাষ্ট্রে পরিণত করত। তাই দেশের শান্তি বজায় রাখতে ও উন্নয়নের ধারাকে অব্যাহত রাখতে তৃতীয় বারের মতো রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে ক্ষমতায় আনতে হবে। রাষ্ট্রনায়কের দৃঢ় নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের মহাসড়কে চলছে এবং ২০২১সালের মধ্যে মধ্যম আয়ের দেশ হিসেবে বিশ্বের কাছে তুলে ধরতে আবারও আওয়ামী লীগ সরকারকে ক্ষমতায় আনার আহ্বান জানান তিনি।
সরকারের উন্নয়নে বাঁধাগ্রস্ত করতে একটি অশুভ শক্তি মিথ্যাচারে লিপ্ত রয়েছে। এসব অশুভ শক্তিকে রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার নেতৃত্বে পূর্বের মতো যুবলীগ সক্রিয় ভুমিকা পালন করবে।

আগামী ৩০ জানুয়ারী সিলেট আলীয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিতব্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় সর্বোচ্চ সংখ্যক যুবলীগ নেতা কর্মির উপস্থিতি, শৃংখলা নিশ্চিত করে সকাল ১১.০০ টার মধ্যে মাঠে যুবলীগের সবুজ ক্যাপ, সবুজ গেঞ্জি, পতাকা নিয়ে সিলেট বিভাগের প্রতিটি জেলা, থানা, ইউনিয়ন ও ওর্য়াড যুবলীগ নেতৃবৃন্দকে নির্দেশ প্রদান করেন। কোন ব্যানার না আনার জন্য বলা হয় এবং মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সভাস্থল ত্যাগ না করা পর্যন্ত ঠ শৃংখলা বজায় রেখে মাঠে উপস্থিতি নিশ্চিত করার নির্দেশ প্রদান করেন

সিলেট মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক আলম খান মুক্তি সভাপতিত্বে ও সিলেট জেলা যুবলীগের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মহসিন কামরানের সঞ্চালনায় ‘সিলেট বিভাগীয় প্রতিনিধি সভায় আরো বক্তব্য রাখেন যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক মো: হারুনুর রশীদ, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ সদস্য বদর উদ্দিন আহম্মেদ কামরান, সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী, জাতিসংঘ বাংলাদেশ মিশনের সাবেক স্থায়ী প্রতিনিধি ড. এ কে আব্দুল মোমেন, মাহমুদ উস সামাদ চৌধুরী কয়েস এমপি, ইমরান আহম্মেদ এমপি, যুবলীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য শহীদ সেরনিয়াবাত,আব্দুস সাত্তার মাসুদ, এড. বেলাল হোসাইন, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক আতিক, ঢাকা মহানগর যুবলীগ উত্তর সভাপতি মাইনুল হোসেন খাঁন নিখিল, কেন্দ্রীয় যুবলীগ সম্পাদক মন্ডলীর সদস্য কাজী আনিসুর রহমান, মিজানুল ইসলাম মিজু, ইকবাল মাহমুদ বাবলু, ঢাকা জেলা সাধারণ সম্পাদক মোঃ মিজানুর রহমান, হবিগঞ্জ জেলার সভাপতি আতাউর রহমান সেলিম, সিলেট জেলা সভাপতি শামীম আহম্মেদ, সুনামগঞ্জ জেলা আহবায়ক খায়রুল হুদা চপল, মৌলভী বাজার জেলা যুবলীগের সভাপতি নাহিদ আহম্মেদ, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ রেজাউর রহমান সুমন, হবিগঞ্জ জেলা সাধারণ সম্পাদক বোরহান উদ্দিন চৌধুরী, সিলেট মহানগর যুগ্ম আহবায়ক মুশফিক জায়গীরদার, আসাদুজ্জামান আসাদ, সাইফুর রহমান খোকন, সেলিম আহম্মেদ সেলিম, সুনামগঞ্জ যুগ্ম আহবায়ক আসাদুজ্জামান সেন্টু, ঢাকা মহানগর উত্তর সহ সভাপতি জাফর আহম্মেদ, দক্ষিন সহ সভাপতি সোহরাব হোসেন স্বপন, আনোয়ারুল ইকবাল সান্টু, আলী আকবর বাবুল প্রমূখ।