সোমবার, ২৩ এপ্রিল ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১০ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
রাজনগরে সড়ক দুর্ঘটনায় সিলেটের আব্বাস, সুজেল ও সামাদ আহত  » «   সোহাদ রব চৌধুরীর ব্যাক্তিগত পক্ষ থেকে খেলার সামগ্রী বিতরণ  » «   সিলেটে ডুজি মোবাইল‘র যাত্রা শুরু  » «   ওয়ার্কার্স পার্টি জেলার উদ্যোগে কমরেড লেনিনের জন্মদিন পালন  » «   শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে সাদা প্যানেলকে বিজয়ী করুন–আব্দুল বাসেত  » «   দিরাইয়ে হান্দুয়া বিলের ব্রিজ উদ্বোধনের আগেই ফাটল! ধ্বসে পড়ার আশংকা  » «   সিরিয়ায় ৫ হাজার ট্রাক অস্ত্র পাঠিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র!  » «   জগন্নাথপুরে গৃহবধুর আত্মহত্যা  » «   পুলিশ কাউকে হয়রানী করতে চায় না –অতি. ডিআইজি  » «   জেলা হোটেল শ্রমিক ইউনিয়নের বিক্ষোভ মিছিল  » «  

নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারিদের এমপিওভুক্ত করার দাবিতে মানবন্ধন



নিউজডেস্ক :: শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণ, সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারিদের ন্যায় বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারিদের ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি, পূর্ণাঙ্গ উৎসব ভাতা, বাংলা নববর্ষ ভাতা, বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতা প্রদান. পদোন্নতির ক্ষেত্রে অনুপাত প্রথা বিলুপ্তি, পূর্ণাঙ্গ পেনশন চালু ও নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারিদের এমপিওভুক্ত কারর দাবিসহ ১১টি দাবি বাস্তবায়নের লক্ষে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারিদের যৌথ মোর্চা ‘শিক্ষক-কর্মচারি সংগ্রাম কমিটি,সিলেট’এর উদ্যোগে কেন্দ্রীয় কর্মসুচির অংশ হিসেবে সকাল ১০.৩০ঘটিকায় জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, মাননীয় অর্থমন্ত্রী ও মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান ও বিকাল ৩ঘটিকার সময় সিলেট কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারের সামনে এক মানববন্ধন কর্মসুচি পালন করা হয়।

মানববন্ধন কর্মসুচিতে সভাপতিত্ব করেন ‘শিক্ষক-কর্মচারি সংগ্রাম কমিটি সিলেট’র সমন্বয়কারী বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি সিলেট জেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির যুগ্ম-সম্পাদক অধ্যক্ষ মো. সুজাত আলী রফিক। মানববন্ধন কর্মসুচি পরিচালনা করেন ‘শিক্ষক-কর্মচারি সংগ্রাম কমিটি, সিলেট‘র আহ্বায়ক, বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি সিলেট মহানগর সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যাপক মো. আব্দুল জলিল। এতে বক্তব্য রাখেন ‘শিক্ষক-কর্মচারি সংগ্রাম কমিটি সিলেট’র আহ্বায়ক ও বাংলাদেশ শিক্ষক সমিতি সিলেট জেলা সভাপতি প্রধান শিক্ষক মো. এলাইছ মিয়া, মহানগর সভাপতি প্রধান শিক্ষক মো. খছরুজ্জামান তপাদার, বাংলাদেশ শিক্ষক-কর্মচারি ফোরাম সিলেট মহানগর সভাপতি প্রধান শিক্ষক মো. বাহার উদ্দিন আকন্দ।

শিক্ষক-কর্মচারি সংগ্রাম কমিটির যুগ্ম-আহ্বায়ক বাংলাদেশ কলেজ শিক্ষক সমিতি সিলেট মহানগর শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক উপাধ্যক্ষ সুবল চন্দ্র দাস, বাকশিস সিলেট জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক ও কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য অধ্যাপক মো. সালা উদ্দিন বেলাল, বাশিস সিলেট জেলার সাধারণ সম্পাদক জনাব আসাদ খান। আরও বক্তব্য রাখেন অধ্যক্ষ জাকির হোসেন, অধ্যাপক ফখরুল ওয়াহেদ চৌধুরী, অধ্যাপক শাহজাহান মাসুক, অধ্যাপক আজির উদ্দিন, অধ্যাপক এনামুল হক চৌধুরী সোহেল, অধ্যাপক মো. আবুল ফজল, অধ্যাপক কমর উদ্দিন, অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম অধ্যক্ষ প্রভুরঞ্জন তালুকদার, অধ্যক্ষ নেছার আহমদ, অধ্যাপক ফজর আলী, সংহতী প্রকাশ করেন এডভোকেট আজমল আলী ।

সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ মো. সুজাত আলী রফিক শিক্ষাব্যবস্থা জাতীয়করণসহ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারির ন্যায়্য দাবির প্রতি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা, মাননীয় অর্থমন্ত্রী ও মাননীয় শিক্ষামন্ত্রী মহোদয়ের সুদৃষ্টি কামনা করেন। শিক্ষক নেতৃবৃন্দ মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন যে, বঙ্গবন্ধুর উত্তরসুরী আপনি এবং আপনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার শিক্ষানীতি ২০১০ প্রনয়ন, আইসিটি শিক্ষা প্রচলন ও ৭০০০ আইসিটি শিক্ষককে এমপিওভুক্ত করেছে। ২০১০সালে ১৬২৪টি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তকরণ, প্রায় ২৭০০০ বেসরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সরকারিকরণ হয়েছে। আপনার সরকারই বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারিকে জাতীয় বেতন স্কেলের অন্তর্ভূকরণ, বিনামুল্যে পাঠ্যবই বিতরণ,

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো উন্নয়ন, প্রতিটি উপজেলায় একটি স্কুল ও একটি কলেজ সরকারিকরণসহ শিক্ষার মান উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। আপনার বলিষ্ট নেতৃত্বে পদ্মাসেতু নির্মাণ, দেশকে খাদ্যে স্বয়ং সম্পূর্ণ করণ, সন্ত্রাস দমন ও দেশের আইন-শৃঙ্খলার উন্নয়নসহ দেশের সার্বিক উন্নয়ন সাধিত হয়েছে। দেশের সার্বিক উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ভুমিকাকে বক্তারা গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন এবং সাথে সাথে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন বঙ্গবন্ধু কন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনার মাধ্যমে শিক্ষকদের যৌক্তিক এসকল দাবিও বাস্তবায়িত হবে।

‘শিক্ষক-কর্মচারি সংগ্রাম কমিটি,সিলেট‘র সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ মো. সুজাত আলী রফিক চলমান আন্দোলনকে আরও বেগবান করার জন্য অন্যান্য ভ্রাতৃপ্রতিম শিক্ষক-কর্মচারি সংগঠন ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের নিজ নিজ স্বাতন্ত্র বজায় রেখে ‘শিক্ষক-কর্মচারি সংগ্রাম কমিটি’তে যোগদান ও পরবর্তী কর্মসুচিতে সম্পৃক্ত হওয়ার আহ্বান জানান।