মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

জৈন্তাপুরে বাস ট্রাক সংর্ঘষে শিশুসহ নিহত ৩



সিলেট পল্লী বিদ্যুত সমিতি-২ এর গাফিলতি

জৈন্তাপুর সিলেট প্রতিনিধি::
সিলেট-তামাবিল মহাসড়কে বাস-ট্রাক মুখোমুখি সংঘর্ষে শিশু সহ ৩জন নিহত, আহত-২০। এলাকাবাসী দাবী দূর্ঘটনার মূল কারন সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর রাস্তার জায়গা দখল করে খাম্বা ড্রাম্পিং করা। জাতীয় স্থানীয় এবং অন লাইন সংবাদ মাধ্যমে একাধিক প্রকাশের পর খাম্বা সরায়নি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। উপজেলা প্রশাসন নিরব ভূমিকা পালন।
এলাকাবাসী সূত্রে যানাজায়- ১৩ জানুয়ারী সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় সিলেট থেকে ছেড়ে আসা বিরতী বাস নং সিলেট-জ-১১-০৪৬৮ সাথে সিলেট পল্লী বিদ্যুত সমিতি-২ এর খাম্বা বোঝাই ট্রাক নং-চট্ট-মোট্ট-ট-১১-৫৯৯০ এর সাথে মুখোমুখি সংর্ঘষের ঘটনা ঘটে।

ঘটনা স্থলে শিশু সহ ৩জন নিহত হন, নিহতরা হলেন মৌলভী বাজার জেলার শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়াউরা গ্রামের তপন তালুকদারের শ্রী শুকা রানী(২০), তার শিশু কন্যা ইতপা রানী(৫), তার শাশুড়ী অমকা রানী (৫৫)। আহত-২০। নিহতের পরিচয় পাওয়া যায়নি। এছাড়া আহতরা হলেন হবিগঞ্জ জেলার বানিয়াচং উপজেলার মিলন চার্য(৩২) তার স্ত্রী শিপ্রা চার্য(২৩) জৈন্তাপুর উপজেলা দরবস্ত ইউনিয়নের ভাইটগ্রামের মৃত সাইফ উল্লার ছেলে হাবিবুর রহমান(৫০) অন্যান আহতদের নাম পাওয়া যায়নি।

এদিকে ঘটনার সংবাদ পেয়ে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খাঁন মোঃ মাইনুল জাকির, দরবস্ত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বাহারুল আলম বাহার ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় উপজেলা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর হতে সিলেট-তামাবিল মহা সড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ে। এদিকে স্থানীয় জনতা পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ দরবস্ত অফিসের সম্মুখে বিক্ষোভ করছে।
এলাকাবাসী জানান অপরিকল্পিত ভাবে সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ সড়কের দুই পাশ্বের ফুটপাত দখল করে খাম্বা রাখা এবং সড়কের মধ্যে ট্রাক দাঁড় করিয়ে লোড-আনলোড করার কারনে রাস্তা পারাপার হতে ঝুকি নিয়ে চলাচল করেতে হচ্ছে জনসাধারনকে। এনিয়ে উপজেলা নির্বাহী বরাবরে এলাকাবাসী আবেদন এবং জাতীয় স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমে স্বচিত্র সংবাদ প্রকাশ করলেও সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ খাম্বা না সরিয়ে প্রতিনিয়ত খাম্বা রেখে সড়কের দুপাশ্ব দখল করে রেখেছে। তাদের দাবী এ দূর্ঘটনার দায় ভার সিলেট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এবং স্থানীয় জৈন্তাপুর উপজেলা প্রশাসনকে নিতে হবে।
এবিষয়ে জানতে চাইলে জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ খানঁ মোঃ মাইনুল জাকির বলেন- ঘটনার সংবাদ পেয়ে ঘটনাস্থলে ছুটে এসেছি। চেয়ারম্যান সহ গগন্যমান্যদের নিয়ে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত রাখার চেষ্টা চালাছি।