বুধবার, ১৮ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৩ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর

মুশফিকুল ফজল আনসারীর জন্মদিনে মো.নাঈমুল ইসলামের অভিব্যক্তি



ব্যক্তিজীবনে আমি কখনো উনাকে দেখিনি। তবে লোকমুখে উনার কথা আর গুণগান শুনে উনাকে উপলব্ধি করতে পেরেছি। মনের মধ্যে জোর আকাঙ্খা জাগে উনার সম্পর্কে জানার জন্য। যাকেই উনার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতাম সবাই প্রথমে যেটা বলতেন, উনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক।

ছাত্রজীবনে আমি পড়ালেখার পাশাপাশি সাংবাদিকতা অনেক পছন্দ করি। যখন আমি জানতে পারি উনি একজন বিশিষ্ট সাংবাদিক উনার প্রতি জানার আগ্রহটা আরো বেড়ে যায়। এক পর্যায়ে আমার বড় ভাই শ্রদ্ধেয় সাংবাদিক মো.নুরুল ইসলামের কাছে উনার কথা জিজ্ঞেস করলাম।

কারণ আমি মনে করি একজন সাংবাদিক আরেকজন সাংবাদিক সম্পর্কে একটু হলেও ভালো জানেন। বড় ভাইয়ের কথার বার্তায় উনার প্রতি শ্রদ্ধা আর ভালোবাসা দেখে শ্রদ্ধেয় মুশফিকুল স্যারের সম্পর্কে জানার আগ্রহটা আরো বেড়ে যায়। চলার পথে মুশফিকুল স্যার নিজেকে সত্য, ন্যায় ও সততাকে নিজের সঙ্গী করে জীবন পরিচালনা করেছেন। তাইতো উনার জীবনে ব্যর্থতার চাইতে সফলতার গল্পটা অনেক বেশি।

ইউটিউবে উনার দেয়া বক্তৃতার ভিডিও চিত্রগুলি দেখতে কখনো ভুলিনি আমি। সাংবাদিক হলেও উনি একজন গ্রেট পলিটিশিয়ানও বটে। তিনি সবসময় চেষ্টা করেন নিজেকে ‘বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদ’ চেতনায় উজ্জীবিত রাখতে। নিজেকে চেষ্টা করেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়ার মতো রাজনীতিক নীতি ও আদর্শে অটল রাখতে। মুশফিকুল স্যারের লিখনীর কলমীয় শক্তি সব অশালীন ও অন্যায়কে পরাস্ত করতে পারে। উনার দেয়া বক্তব্যের মধ্যে আমার কাছে যেটি শ্রেষ্ঠ মনে হয় তার একটু খন্ডলাইন না বললেই নয়, “শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান বাংলাদেশ এ দুটি অঙ্গাঅঙ্গিভাবে জড়িত।

আমি আমার বিশ্লেষণে, আমি যতটুকু গবেষণা চালিয়েছি, আমি যতটুকু পড়াশুনা করতে পেরেছি, আমি দেখেছি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তিনটি কারণে ইতিহাসে তাকে কিংবদন্তী করেছে, বাংলাদেশে তাকে মহীরহ বলা যায় এবং তাকে একটি মহীয়ান আসনে আস্বীন করেছে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিকভাবে।” যখন তিনি উক্ত তিনটি কারণ বিশ্লেষণ করলেন এবং উনার মুখে এরকম বক্তৃতা শুনে আমি নিজেকে জাতীয়তাবাদ চেতনায় উজ্জীবিত করে নিয়েছি এরকম উপলব্ধি করতে পারি। যখন ভিডিও চিত্রগুলিতে মুশফিকুল স্যারের বক্তব্য দেখতাম আমি সবচেয়ে বেশি আকৃষ্ট হতাম উনার চোখ এবং হাতের দিকে চেয়ে। উনার চোখ সবসময় যেনো জলসানো থাকতো। মনে হতো কি যেনো একটা আকাংঙ্খা রয়েছে উনার মনে, পাওয়ার একটা তীব্র ইচ্ছা রয়েছে।

বক্তৃতায় মুশফিকুল স্যারের হাতের মধ্যে সবসময় একটি কলম থাকতো। যেটা আমাকে শিক্ষা দিতো যেকোনো পরিস্থিতি আসুক জীবনে কখনো কলম ছেড়ে অস্ত্র হাতে নিবো না। উনার বক্ত্যব্যের ভাষা অত্যন্ত সুন্দর ছন্দময় এবং পরিমার্জিত। উনার বক্তব্য দেখার পর বাসায় উনার মতো করে বক্তৃতা দেয়ার ভাব ভঙ্গি শেখার চেষ্টা শুরু করি। আসলে উনার জীবন অপূর্ব সব গুণের ভান্ডার যা ব্যক্তিজীবনে প্রত্যেকেই অনুপ্রাণিত করতে পারে।

আমি উনাকে দেখে অনেক কিছু শিখতে পেরেছি। কারণ আমি নিজের একটি মর্মবাণীতে সবসময় অটল, “আমি সবসময় অন্যের কাছ থেকে শিখার প্রবণতা রাখি, কারণ এটি আমার মনে আনন্দের খুরাক জাগায় এবং আমার অহংকারকে গর্ববোধে পরিণত করে।” আমি কখনো অন্যের কাছ থেকে শিখতে নিজেকে ছোট ভাবি না। হোক সে বড় বা ছোট। কারণ তাদের কাছ থেকে শিখার মাধ্যমে আমি নিজেকে এবং তাদেরকেও বিনয়, শ্রদ্ধা ও প্রীতি দ্বারা জয় করতে পারি। তাই উক্ত মর্মবাণীও নিজে তৈরি করে নিয়েছি। আজ সেই লেখক, গবেষক ও বিশিষ্ট সাংবাদিক শ্রদ্ধেয় মুশফিকুল ফজল আনসারীর জন্মদিন। সেই সুবাধে নিজের অভিব্যক্তিটাও প্রকাশ করার সুযোগ পেলাম। আমি নিজেকে উনার মতো করার চেষ্টা করি।

একজন কলমীয় সৈনিক, লেখক ও সাংবাদিক হিসেবে। সফল হতে পারবো কি না জানি না তবে চেষ্টা তো চালিয়ে যেতে পারি উনার মতো। কারণ আজ মুশফিকুল ফজল আনসারী স্যার উনার চেষ্টার বদৌলতে অর্জিত সাফল্যগুলোঃ বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সাবেক প্রেস সচিব, ইউএনসিএ ও হোয়াইট হাউস প্রেসকোরের সদস্য,জাস্ট নিউজ বিডি ডটকমের সম্পাদক,বিশিষ্ট সাংবাদিক-লেখক হিসেবে খ্যাতাবপ্রাপ্ত হয়েছেন এবং সর্বসাধারণের মন জয় করে নিয়েছন সততা এবং নিষ্ঠার দ্বারা। আজ উনার জন্মদিনে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে সবাই তাকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা প্রদানে সিলেটের কৃতিসন্তান হিসেবে সাধুবাদ প্রদান করছেন। আমার কাছে উনি শুধু সিলেটের নয় পুরো বাংলার গর্বিত সন্তান

। কেননা উনার জীবন থেকে বাংলার ছাত্রসমাজ এবং প্রত্যেকেই কলমীয়শিক্ষা, রাজনৈতিক শিক্ষা এবং জীবনের প্রকৃত মূল্যবোধের শিক্ষা নিতে পারবে এমনকি উনি বাংলাদেশকে আজ বিশ্ব দরবারে দিয়েছেন এক অনন্য মর্যাদার আসন ইউএনসিএ ও হোয়াইট হাউসের প্রেস কোরের সদস্য হয়ে। আল্লাহ তা’আলা আপনার লিখনীর মেধা যেনো আরো বাড়িয়ে দেন এবং আমরা ছাত্রসমাজ সবসময় যেনো আপনার কাছ থেকে সেই শিক্ষা নিতে পারি এই দোয়া রইল আপনার প্রতি শ্রদ্ধেয় মুশফিকুল ফজল আনসারী স্যার এবং আপনার জন্মদিনে জানাই হাজারো পুষ্পস্তবকের নিরন্তর শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আপনাকে জন্মদিনের উপহার হিসেবে তেমন কিছু দিতে পারলাম না। কারণ আপনার উপস্থিতি নেই, আর আপনাকে আমি শুধু ছবিতেই দেখেছি, তবুও এই ছোট্র একটি অভিব্যক্তি রইল আপনার জন্য আপনার জন্মদিনের উপহার হিসেবে। আশা করি উপহারটি আপনার হৃদয় স্পর্শ করবে।
মো.নাঈমুল ইসলাম
ছাত্র ব্যক্তিত্ব লেখক, কলামিস্ট ও সংগঠক