বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
নিসচা মহানগরের সভাপতি ইকবাল’র জন্মদিন পালন  » «   ফলিক খানের অর্থায়নে প্রধানমন্ত্রীর মিটানো নাম নতুন করে অঙ্কন  » «   গোলাপগঞ্জে যুবদলের ৩৯তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী পালন  » «   বিএনপি নেতা এম কে আনোয়ারের মৃত্যুতে সিলেট সরকারি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের শোক  » «   জগন্নাথপুরে টাকা দেয়া হলেও চাল দেয়া হয়নি  » «   জগন্নাথপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ব্যবসায়ী মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে  » «   ২৬ নং ওয়ার্ড তালামীযের অভিষেক ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন  » «   সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই নায়িকার মেকআপ রুমের ছবি ফাঁস!  » «   কমলগঞ্জে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত  » «   জগন্নাথপুরে নুর আলীর খুনিদের ফাসির দাবিতে সোচ্চার এলাকাবাসী  » «  

কমলগঞ্জে হামলা চালিয়ে আসামী ছিনতাই: এসআইসহ ৪ পুলিশ আহত



আসাহাবুল ইসলাম শাওন,কমলগঞ্জ প্রতিনিধি:: মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের পাহাড় ঘেষা বাঘমারা গ্রামে বন আইনের ৮ মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত এক আসামীকে ধরার পর রাতে আসামীর স্বজনরা হামলা চালিয়ে আসামীকে ছিনিয়ে নেয়।

আসামী পক্ষের হামলায় ১ এসআই ও ২ এএসআই ১ পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আত্ম রক্ষার্থে পুলিশ ২ রাউন্ড ফাঁকাগুলি ছুড়ে। আহত ১ এএসআই ও ১ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা সেবা নিয়ে ফিরে গেলেও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এখনও ১ এসআই ও ১ এএসআই চিকিৎসাধীন আছেন। শনিবার (৬ জানুয়ারি) রাত ২টায় এ ঘটনাটি ঘটে।

ছিনিয়ে নেওয়া ওয়ারেন্টভুক্ত বন মামলার আসামী কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়নের বাঘমারা গ্রামের আব্দুল গফুরের ছেলে আব্দুল মতলিব(৩৮)। জানা যায়, বাঘমারা গ্রামের আব্দুল মতলিবের উপর বন আইনে ৮টি মামলা রয়েছে। প্রতিটি মামলায় সে ওয়ারেন্টভুক্ত আসামী। শনিবার রাত ২টায় কমলগঞ্জ থানার এসআই চম্পক ধাম, এএসআই আব্দুল হামিদ, এএসআই মহসীনের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান চালিয়ে আসামী মতলিবকে আটক করে।

এসময় মতলিবের হাল্লা চিৎকারে তার স্বজনরা এসে পুলিশের উপর হামলা চালিয়ে ধৃত আসামী মতলিবকে ছিনিয়ে নেয়। হামলায় এসআই চম্পক ধাম, এএসআই আব্দুল হামিদ, এএসআই সুশেন ও রিজার্ভ পুলিশ সদস্য দীপেন্দ্র দাশ আহত হয়েছেন। ঘটনার সময় আত্ম রক্ষার্থে পুলিশ ২ রাউন্ড ফাঁকা গুলি ছোড়ে।

রাতেই আহত এক এসআই, ২ এএসআই ও এক সদস্যকে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এদের মধ্যে এক এসআই ও এক সদস্যকে প্রাথমিক সেবা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলেও এসআই চম্পক ধাম ও এএসআই আব্দুল হামিদ এখনও কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। কমলগঞ্জ থানার ওসি মোক্তাদির হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলার প্রস্তুুতি চলছে। পাশাপাশি আসামী মতলিবসহ হামলাকারী আসামীদের গ্রেফতারে জোর অভিযান চালানো হবে।