মঙ্গলবার, ১৭ জুলাই ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২ শ্রাবণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
নৌকা বিজয়ী হলে সমাজে সম্প্রীতির বন্ধন দৃঢ় হয় : কামরান  » «   ধানের শীষের সমর্থনে নগরীর বিভিন্ন জায়গায় নির্বাচনী পথসভা  » «   সাইফুর রহমান ডিগ্রি কলেজের প্রিন্সিপালকে হাসপাতালে দেখতে ইমরান আহমদ এমপি  » «   ছাতকে নবনিযুক্ত প্রধান শিক্ষকদের বরণ  » «   নৌকার পক্ষে সিলেটে গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে: সরওয়ান হোসেন  » «   প্রবাসে বাঙালী সংস্কৃতি ও দেশীয় পণ্যকে তুলে ধরার প্রয়াসে নিউইয়র্কের ব্রঙ্কসে ঈদ আনন্দমেলা  » «   দেশকে এগিয়ে নিতে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই: সামাদ চৌধুরী  » «   আরিফের গণসংযোগ: সুষ্ঠু, অবাধ নির্বাচন হলে জনগণ সত্যিকার নগর সেবককেই নির্বাচিত করবে  » «   স্বভাবে বিনয়ী কামরান কর্মে ফাটা কেষ্ট আরিফ !  » «   ইলিয়াস আলীর সন্ধান কামনায় ইলিয়াস মুক্তি যুব ও ছাত্র সংগ্রাম পরিষদের দোয়া মাহফিল  » «  

ঐশ্বর্য রাইকে মা দাবি এক যুবকের, বলিউডে তোলপাড়!



বিনোদন ডেস্ক::  ঐশ্বর্য রাই বচ্চনকে নিয়ে নতুন এক খবরে তোলপাড় বলিউড। এই খবরে উঠে এসেছে অবিশ্বাস্য এক তথ্য। অন্ধ্র প্রদেশের এক যুবক দাবি করেছেন, শুধু আরাধ্যাই নয়। ঐশ্বর্যের রয়েছে আরও এক সন্তান। আর তিনিই সেই সন্তান। জিনিউজ প্রকাশ করেছে এ খবর।

যুবকের নাম সংগীত কুমার। বয়স ২৯। ঐশ্বর্য রাই ১৯৯৪ সালে মিস ওয়ার্ল্ড বিজয়ী হয়েছিলেন। তখন তার বয়স ছিল ২১ বছর। সংগীত কুমারের দাবি, মিস ওয়ার্ল্ড হওয়ার ৬ বছর আগেই নাকি বচ্চন বধূর কোলে তিনি জন্ম নেন। এই যুবকের কথায়, ১৯৮৮ সালে আইভিএফ-এর মাধ্যমে উনি আমার জন্ম দেন। গত ২৭ বছর ধরে আমি আশ্রমে বড় হয়েছি। এক ও দু’বছর বয়সে মুম্বইতে ঠাকুমা কৃষ্ণরাজ রাইয়ের কাছে থাকতাম আমি।

২০১৭-র এপ্রিল মাসে মারা যান ঠাকুমা। আমার কাকার নাম আদিত্য রাই। প্রাক্তন মিস ওয়ার্ল্ডকে শুধু মা দাবি করেই ক্ষান্ত হননি সংগীত কুমার। তার আরও দাবি ঐশ্বর্য এখন অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে থাকেন না। তাই তিনি চান যে ম্যাঙ্গালুরুতে তার সঙ্গে এসে তিনি থাকুন। একটি সংবাদমাধ্যমের কাছে সংগীত বলেন, ২০০৭ সালে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে আমার মার বিয়ে হয়।

কিন্তু এখন মা একা থাকেন। আমি তাই চাই মা আমার সঙ্গে এসে থাকুন। আমি ২৭ বছর ধরে পরিবারের থেকে বিচ্ছিন্ন। আমি মাকে খুব মিস করি। কিন্তু এসব দাবি করলেও, সংগীতের কাছে কোনো প্রামাণ্য নথিপত্র নেই। তিনি জানিয়েছেন, আত্মীয়দের ষড়যন্ত্রের কারণেই ‘মা’ ঐশ্বর্য থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যান। তার পরে সঠিক কোনো তথ্য না পাওয়ায় মা-র সঙ্গে আর যোগাযোগ করতে পারেননি তিনি।