সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৭ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকা



সেলিম আহমেদ, সৌদি আরব প্রতিনিধি:: নারীর ক্ষমতায়নে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভূমিকা অত্যন্ত জুড়ালো। তার আন্তরিকতার ফলে বাংলাদেশের নারী সমাজ আজ সারা বিশ্বে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাই প্রথম বাংলাদেশে প্রথম বারের মত মহিলা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী পররাষ্ট্র মন্ত্রী স্পীকার রাষ্ট্রদূত পুলিশের এসপি বিশ্ববিদ্যালয়ে নারী ভাইস চ্যান্সেলর নারী বিচারপতি মহিলা সেনা কর্মকর্তা সহ ইত্যাদি পদে মহিলাদের নিয়োগ দিয়ে নারী কে সম্মানের আসনে অধিষ্ঠিত করেছেন।

যেটা অন্য কোন সরকার প্রধান করতে পারেননি। যেখানে বলা হত নারীরা ঘরে বসে ঘরের কাজ করবে আর শুধু পুরুষরা বাহিরে কাজ করে পরিবারের জন্য উপার্জন করবে। সেখান থেকে বাংলাদেশের নারী সমাজ কে গৃহস্থালির পাশাপাশি যোগ্যতা অনুযায়ী নারীদের কে অফিসের ছোট বড় সব ধরনের কাজ করার সুযোগ করে দিয়ে মেধার বহিঃপ্রকাশের পথ প্রশস্ত করে দিয়েছেন। যা বাংলাদেশের ইতিহাসে এক অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মনে করেন পুরুষের পাশাপাশি নারীদেরকে যত বেশী রাষ্ট্রীয় কাজে সম্পৃক্ত করা যাবে দেশ তথ বেশি সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশের নারীরা যে অত্যন্ত মেধাবী তা ইতিমধ্যে প্রমাণ হয়ে গেছে তাদের নিয়োজিত বিভিন্ন কাজ সুষ্ঠুভাবে দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে। এখন বাংলাদেশের প্রতিটি সেক্টরে পুরুষের পাশাপাশি বাংলাদেশের নারীদের অবদান কোন অংশে কম নয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের নারীদের জন্য আশীর্বাদ স্বরুপ।

তার আন্তরিকতার ফলে বাংলাদেশের নারী সমাজ আজ বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে দেশের জন্য সুনাম বহে নিয়ে এসেছেন। আমাদের সংসদের স্পীকার শিরিন শারমিন চৌধুরী সিপিএ চেয়ারপারর্শন হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন আর সেটা সম্ভব হতো না প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শিরিন শারমিন চৌধুরী কে যদি স্পীকার নিয়োগ না করতেন। নারীদের সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়াই হচ্ছে তার স্বপ্নের বাস্তবায়ন। তাইতো তার সরকারের সময়েই সসবচেয়ে বেশী নারী উন্নয়ন হয়েছে উল্লেখযোগ্য হারে যেটা খুব বেশী চোখে পড়ার মত।

আজকে জাতিসংঘের মিশনেও নারীদের কে পাঠিয়ে নারী সমাজের ভাবমুর্তি কে আরো উজ্জল করে তুলেছেন। বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন যে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় খুব বেশী হয়েছে এটা বলার অপেক্ষা রাখেনা। বর্তমানে যেহারে বাংলাদেশে নারীর ক্ষমতায়ন বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আর এক দশক পরে বাংলাদেশের উন্নয়নে নারী সমাজের ভূমিকার অংশীদারিত্বে প্রভাব থাকবে পুরুষের তুলনায় অত্যধিক।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার যে নারীর ক্ষমতায়ন বান্ধব সরকার এতে কোন সন্দেহ নেই। আর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরেই হয়তো একদিন বেগম রোকেয়া ও বেগম সুফিয়া খাতুনের নারী জাগারণের স্বপ্নের বহিঃপ্রকাশ হবে। ক্রমান্বয়ে সে পথেই বাংলাদেশ ধাপিত হউক এখনো যে সমস্ত নারীদের পায়ে শৃঙ্খল আছে সে সমস্ত নারীদের শৃঙ্খলমুক্ত করে।