মঙ্গলবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৮ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

নবীগঞ্জে ইটের গুড়া মেশানো ১৫০ বস্তা ভেজাল মসলা জব্দ



নবীগঞ্জ প্রতিনিধি:: নবীগঞ্জ শহরের মধ্যে বাজারের ব্যবসায়ী বিপুল ঘোষের মালিকানা মানব দেহের স্বাস্থ্য জন্য ক্ষতিকর কুড়া,গুড়া ইটের কুড়া,মাটি মিশানো মরিচ,ধনিয়া হলুদের ১৫০ বস্তা ভেজাল মসলা জব্দ করেছেন নবীগঞ্জ উপজেলা স্যানাটারী ইন্সেপেক্টর নূরে আলম সিদ্দিকি ও পৌরসভার সেনাটারী ইন্সেপেক্টর সুকেশ চক্রবর্তী।

স্যানাটারী ইন্সেপেক্টর ভেজাল মসলা বিষয়টি নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি মালবাহি ট্রাক আটক করে থানায় নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ প্রদান করলে নবীগঞ্জ থানার সাব ইন্সেপেক্টর খবির আহমেদের নেতৃত্বে শহরের মধ্যে বাজারের এসে ট্রাকসহ ভেজাল মসলা জব্দ করে থানায় নিয়ে যান। জানাযায়,সদর ইউনিয়নের তামাশপুর গ্রামের মৃত সুবল ঘোষের পুত্র বিপুল ঘোষ শহরের মধ্যে বাজারের দীর্ঘদিন ধরে গুড়া মসলাসহ বিভিন্ন কোম্পানির পন্য পাইকারী বিক্রেতা।

সোমবার সকালে মধ্যবাজার হাফিজ মিয়ার দোকানে পিছনে বিপুল ঘোষের ত্রানবাহী স্টিকার লাগানো( ট্রাক ঢাকা মেট্রো ড-১১৬৭৪৬) গুটানো মরিচ,ধনিয়া হলুদের ১৫০ বস্তা ভেজাল মসলা নামানোর সময় উপজেলা সেনেটারী ইন্সেপেক্টর নূরে আলম সিদ্দিকে জানালে তিনি ঘটনাস্থলে এসে মসলা বিষয়ে জানতে চাইলে মসলা মালিক বিপুল ঘোষ বিষয়টা ধাপা চাপা দেওয়ার চেষ্টা করেন।

সেনেটারী ইন্সেপেক্টর বিষয়টি নিয়ে নবীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মর্কতা তাজিনা সারোয়ার,থানা অফিসার ইনর্চাজ এস এম আতাউর রহমানের সাথে আলাপ করলে ভেজাল ব্যবসায়ী বিপুল ঘোষ চম্পট দেন।পরে পুলিশের উপস্থিতে স্যানেটারী ইন্সেপেক্টর একটি সিজার লিষ্ট তৈরী করেন এবং পুলিশ মালসহ ট্রাক নিয়ে থানায় নিয়ে আসে।পৌর মেয়র আলহাজ্ব ছাবির আহমেদ চৌধুরী বলেন মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর ভেজাল মসলা বিক্রির সাথে জড়িতদের তদন্তের মাধ্যমে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য তিনি প্রসাশনের লোকদের আহবান জানান। এ নিয়ে উপজেলা স্যানেটারী ইন্সেপেক্টর নূরে আলম সিদ্দিকি বলেন আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও ভ্রাম্যমান আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট তাজিনা সারোয়ার স্যারের সাথে কথা বললে তিনি ঢাকা থাকায় আমরা এখনো কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারিনি মসলা পরীক্ষা নিরীক্ষার করার পর যদি মসলা ভেজাল থাকে তাহলে আমরা এর বিরোদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নিব।