বুধবার, ২৪ জানুয়ারী ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ১১ মাঘ ১৪২৪ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
নিসচা মহানগরের সভাপতি ইকবাল’র জন্মদিন পালন  » «   ফলিক খানের অর্থায়নে প্রধানমন্ত্রীর মিটানো নাম নতুন করে অঙ্কন  » «   গোলাপগঞ্জে যুবদলের ৩৯তম প্রতিষ্টা বার্ষিকী পালন  » «   বিএনপি নেতা এম কে আনোয়ারের মৃত্যুতে সিলেট সরকারি কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের শোক  » «   জগন্নাথপুরে টাকা দেয়া হলেও চাল দেয়া হয়নি  » «   জগন্নাথপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত ব্যবসায়ী মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে  » «   ২৬ নং ওয়ার্ড তালামীযের অভিষেক ও প্রশিক্ষণ কর্মশালা সম্পন্ন  » «   সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই নায়িকার মেকআপ রুমের ছবি ফাঁস!  » «   কমলগঞ্জে জাতীয় কন্যা শিশু দিবস পালিত  » «   জগন্নাথপুরে নুর আলীর খুনিদের ফাসির দাবিতে সোচ্চার এলাকাবাসী  » «  

রাজনীতির প্রতি আস্থা হারাচ্ছে তরুণ প্রজন্ম



রুমেল আহমদ:: একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য চাই ত্যাগী, আদর্শ, সৎ ও সাহসী রোল মডেল। চাই তরুণ মেধাবী ও সাহসী নের্তৃত্বের অবারিত প্ল্যাটফরম।

এই ব্যবস্থা কি দেশে আছে? আছে কি কোনো লক্ষণ? আমরা দেশের সাধারণ নাগরিক বা জনগণ। বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার বিভাজনে আমরাও সমাজবদ্ধ হয়ে বাসকরি।

সমাজের প্রতি আমাদের অনেক দায়-দায়িত্ব। সমাজের প্রতি আর দশটা দায়িত্বের মধ্যে অন্যতম একটি হলো- ভোট প্রদানের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করা।

ভোট প্রদান করা আমাদের নাগরিক অধিকার এবং দায়িত্ব। ভোটের সময় আমরা দলবেঁধে ভোট দিই।

কিন্তু নিরপেক্ষভাবে আমাদের রাজনীতির চরিত্র বিশ্লেষণ করলে ভোট প্রদানে আমাদের দ্বীধা-দ্বন্দ্ব বেড়ে যায়। কাকে ভোট দেব? কাকে বানাবো জনগণের প্রতিনিধি? আর যখন ভোট দেয়ার সুযোগই না থাকে- তখন আর কি করা?
আমাদের তরুণদের দুর্ভাগ্য, হতাশা, অসহায়ত্ব এই ভোট প্রদানকে কেন্দ্র করেও।

আমার মনে মাঝে মাঝে এমন প্রশ্নও জাগে আমরা আসলে কেন ভোট দেই? আমাদের ভোটে যদি কোনো দুর্নীতিবাজ, অর্থলোভী, ক্ষমতালিপ্সু জনপ্রতিনিধি হয়ে আসেন তাতে আমাদের কি লাভ? দেশের কি লাভ? এসব প্রশ্ন জনগণকে মানবতার কাঠগড়ায় দাঁড় করায় বার বার। তারপরও আমরা ভোট দিতে যাই! আমাদের ভোটেই নির্বাচিত হয়ে আসেন প্রিয় জনপ্রতিনিধিরা।

জনগণের বিপুল সমর্থনে যিনি নির্বাচিত হন তার নাম জননেতা। আমাদের প্রত্যাশা আর স্বপ্নপূরণের প্রতিনিধি তিনি। কিন্তু আমরা কেমন বোকা সরল ভোটার- সেটা বুঝতে পারি যখন আমাদের ভোটে পার পেয়ে নেতাজি লাপাত্তা হয়ে যান। ভোটের আগে কী জনদরদী চরিত্র তাদের। চেনা- অচেনাকে দেখা মাত্রই বুকে জড়িয়ে ধরেন। আর ভোটের পরের বিজয়ী এই নেতার পার্থক্য পিলে চমকানোর মতো। ভোটের আগের নেতা কি অসাধারণ সৎ, উদার, নিরহঙ্কারী, আবেগী ও সেবক মানুষ। দুয়ারে দুয়ারে ভোট ভিক্ষা চান। আর হাজারো প্রতিশ্রুতির মন ভুলানো কথার ঝুড়ি দিয়ে হৃদয় জয় করে নেন। ভোটের পরের নেতা- জনপ্রতিনিধি হলেও পাল্টে যায় দৃশ্যপট।

অথচ বর্তমানে ভোটের বাজারে বিরাট একটা অংশ তরুণ সমাজ। রাজনীতির চালচিত্রের পটপরিবর্তনে এখন তরুণ সমাজের ভুমিকা অগ্রগন্য। এখন ভাববার বিষয় হলো- ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী প্রায় ৬ কোটি তরুণের মনোভাব আমলে না নিয়ে দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ কতটা সম্ভব?