বৃহস্পতিবার, ১৯ এপ্রিল ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৬ বৈশাখ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ
এই মুহুর্তের খবর
১২ মাস ভিজিএফ’র চাল ও নগদ অর্থ বিতরণ করে প্রমাণ হয়েছে এ সরকার কৃষি বান্ধব  » «   লন্ডন সিলেট ফ্রেন্ডশীপ অর্গানাইজেশনের মুকিত কে সংবর্ধনা  » «   মৌলভীবাজারে বাবাকে কুপিয়ে হত্যা করলো ছেলে  » «   নগরী থেকে রবিউল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি নিখোঁজ  » «   জ্ঞানের রাজ্যে ভ্রমণের জন্য তো কোনো পাসর্পোট ভিসা লাগেনা–প্রণবকান্তি দেব  » «   কৃষি জমি রক্ষার দাবীতে ফতেহপুরবাসীর প্রতিবাদ সভা  » «   ‘কোটা পদ্ধতি তুলে নেয়ার এখতিয়ার প্রধানমন্ত্রীর নেই’ –মির্জা ফখরুল  » «   ‘বঙ্গভূম’ অ্যালবামের মোড়ক উন্মোচন  » «   আসিফা ধর্ষণ ও হত্যা নিয়ে সরব হলেন আলিয়া ভাট  » «   নূপুর বেতার ক্লাবের লোক উৎসব শুক্রবার  » «  

রাজনীতির প্রতি আস্থা হারাচ্ছে তরুণ প্রজন্ম



রুমেল আহমদ:: একটি দেশের সার্বিক উন্নয়নের জন্য চাই ত্যাগী, আদর্শ, সৎ ও সাহসী রোল মডেল। চাই তরুণ মেধাবী ও সাহসী নের্তৃত্বের অবারিত প্ল্যাটফরম।

এই ব্যবস্থা কি দেশে আছে? আছে কি কোনো লক্ষণ? আমরা দেশের সাধারণ নাগরিক বা জনগণ। বিভিন্ন শ্রেণী ও পেশার বিভাজনে আমরাও সমাজবদ্ধ হয়ে বাসকরি।

সমাজের প্রতি আমাদের অনেক দায়-দায়িত্ব। সমাজের প্রতি আর দশটা দায়িত্বের মধ্যে অন্যতম একটি হলো- ভোট প্রদানের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করা।

ভোট প্রদান করা আমাদের নাগরিক অধিকার এবং দায়িত্ব। ভোটের সময় আমরা দলবেঁধে ভোট দিই।

কিন্তু নিরপেক্ষভাবে আমাদের রাজনীতির চরিত্র বিশ্লেষণ করলে ভোট প্রদানে আমাদের দ্বীধা-দ্বন্দ্ব বেড়ে যায়। কাকে ভোট দেব? কাকে বানাবো জনগণের প্রতিনিধি? আর যখন ভোট দেয়ার সুযোগই না থাকে- তখন আর কি করা?
আমাদের তরুণদের দুর্ভাগ্য, হতাশা, অসহায়ত্ব এই ভোট প্রদানকে কেন্দ্র করেও।

আমার মনে মাঝে মাঝে এমন প্রশ্নও জাগে আমরা আসলে কেন ভোট দেই? আমাদের ভোটে যদি কোনো দুর্নীতিবাজ, অর্থলোভী, ক্ষমতালিপ্সু জনপ্রতিনিধি হয়ে আসেন তাতে আমাদের কি লাভ? দেশের কি লাভ? এসব প্রশ্ন জনগণকে মানবতার কাঠগড়ায় দাঁড় করায় বার বার। তারপরও আমরা ভোট দিতে যাই! আমাদের ভোটেই নির্বাচিত হয়ে আসেন প্রিয় জনপ্রতিনিধিরা।

জনগণের বিপুল সমর্থনে যিনি নির্বাচিত হন তার নাম জননেতা। আমাদের প্রত্যাশা আর স্বপ্নপূরণের প্রতিনিধি তিনি। কিন্তু আমরা কেমন বোকা সরল ভোটার- সেটা বুঝতে পারি যখন আমাদের ভোটে পার পেয়ে নেতাজি লাপাত্তা হয়ে যান। ভোটের আগে কী জনদরদী চরিত্র তাদের। চেনা- অচেনাকে দেখা মাত্রই বুকে জড়িয়ে ধরেন। আর ভোটের পরের বিজয়ী এই নেতার পার্থক্য পিলে চমকানোর মতো। ভোটের আগের নেতা কি অসাধারণ সৎ, উদার, নিরহঙ্কারী, আবেগী ও সেবক মানুষ। দুয়ারে দুয়ারে ভোট ভিক্ষা চান। আর হাজারো প্রতিশ্রুতির মন ভুলানো কথার ঝুড়ি দিয়ে হৃদয় জয় করে নেন। ভোটের পরের নেতা- জনপ্রতিনিধি হলেও পাল্টে যায় দৃশ্যপট।

অথচ বর্তমানে ভোটের বাজারে বিরাট একটা অংশ তরুণ সমাজ। রাজনীতির চালচিত্রের পটপরিবর্তনে এখন তরুণ সমাজের ভুমিকা অগ্রগন্য। এখন ভাববার বিষয় হলো- ১৫ থেকে ৩০ বছর বয়সী প্রায় ৬ কোটি তরুণের মনোভাব আমলে না নিয়ে দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নির্ধারণ কতটা সম্ভব?