সোমবার, ১০ ডিসেম্বর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ২৬ অগ্রহায়ণ ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

হবিগঞ্জ-সিলেট সড়কে বাস চলাচলে সমঝোতা



hobeহবিগঞ্জ-সিলেট সড়কে আন্তজেলা বাস চলাচলে বিবেদ মিটেছে। বিষয়টি মীমাংসায় পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতারা সমঝোতায় এসেছেন। আজ ২৬ এপ্রিল মৌলভীবাজার পৌরসভার সভাকক্ষে মেয়র ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে চুড়ান্ত সমঝোতা বৈঠক হয়। বৈঠকে হবিগঞ্জ-সিলেট সড়কে নির্বিঘেœ বাস চলাচলে সিলেট ও হবিগঞ্জের পরিবহন মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দ সমঝোতা স্বাক্ষর করেন।

বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে হবিগঞ্জ-সিলেট সড়কে চলাচলকারী আন্তজেলা বাস নির্ধারিত স্টপেজ ছাড়া থামতে পারবেনা এবং যাত্রী ওঠানামা করতে পারবেনা। এছাড়া হবিগঞ্জের শায়েস্তাগঞ্জ কিংবা সিলেট প্রান্তে কোথাও চেকার বা কোনো শ্রমিক দ্বারা চলাচলকারি বাসের চালক ও হেলপারদের হেনস্থা, অপমান কিংবা লাঞ্চিত করা যাবেনা। কোনোভাবেই গাড়ি ভাংচুর কিংবা ক্ষতি করা যাবেনা। কোনো ঘটনা ঘটলে শ্রমিক নেতাদের অবহিত করতে হবে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি সেলিম আহমদ ফলিক, হবিগঞ্জ জেলা সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সজিব আলী, হবিগঞ্জ জেলা মটর মালিক গ্রুপের সভাপতি ফজলুর রহমান চৌধুরী, সিলেট জেলা সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব জমির আহমদ, মৌলভীবাজার জেলা ট্রাক, ট্যাংক লড়ি, কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি জামাল মিয়া, মৌলভীবাজার জেলা ট্রাক, ট্যাংক লড়ি, কাভার্ড ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আজাদুর রহমান অদুদ, মৌলভীবাজার জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমদ প্রমুখ।

প্রসঙ্গত মিতালী পরিবহন, সুরমা ট্রান্সপোর্ট, কুশিয়ারা পরিবহন বনাম হবিগঞ্জ-সিলেট বিরতিহীন এর মধ্যে যাত্রী উঠা নামা নিয়ে বেশ ক’দিন ধরে বিরোধ চলে আসছিলো। এর জের ধরে গত ১৪ এপ্রিল বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জ ও সিলেট প্রান্তে দু’পক্ষের শ্রমিকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ফলে হবিগঞ্জ-সিলেট সড়কে বাস চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। যাত্রীরা দুর্ভোগে পড়েন।

এ অবস্থায় কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় মালিক ও শ্রমিক নেতৃবৃন্দের মধ্যস্থতায় গত ১৭ এপ্রিল রোববার মৌলভীবাজার পৌরসভার সভাকক্ষে মেয়র ফজলুর রহমানের সভাপতিত্বে উভয়পক্ষের মধ্যে সমঝোতা বৈঠক শেষে ধর্মঘট প্রত্যাহার করা হয়।