শনিবার, ২০ অক্টোবর ২০১৮ খ্রীষ্টাব্দ | ৫ কার্তিক ১৪২৫ বঙ্গাব্দ

নারী মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে আধাঁর থেকে আলোয় পরিণত করলেন -কেয়া চৌধুরী



1সিলেট-হবিগঞ্জ সংরতি মহিলা আসনের সংসদ সদস্য আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী এমপি নির্বাচিত হওয়ার আগে তৃণমূলের মানুষকে নিয়ে বেশির ভাগ চিন্তা ভাবনা করতেন হঠাৎ খুজতে খুজতে তিনি পেলেন হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তা গঞ্জ উভার্ট গ্রামের মৃত: হামিদ মালদারের স্ত্রী মুক্তিযোদ্ধো রাজিয়া খাতুন তিনি মুক্তিযোদ্ধের সময় ৩নং সেক্টরে কাজ করতেন কাজ করতে গিয়ে অনেক সময় নির্যাতনে স্বীকার হয়েছেন তিনি এই দেশের জন্য, কিন্তু স্বামী মৃত্যর পর এক ছেলে এবং এক মেয়ে কে নিয়ে অসহায় হয়ে পড়েন রাজিয়া খাতুন তিনিহেটে হেটে রাস্তায় রাস্তায় কাপড় বিক্রি করতেন ঐ রোজগারের টাকা দিয়ে রাজিয়া বেগমের সংসার চলতো। বেশ কিছুদিন পর আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী অসহায় মহিলা মুক্তিযোদ্ধো শোনে প্রথমে কেয়া চৌধুরী নিজ উদ্যোগে সংগঠনের মাধ্যমে রাজিয়া খাতুনকে একটি গাভি ক্রয় করে দেন এবং মুক্তিযোদ্ধা ভাতার ব্যবস্থা করে দেন। তার পর দিন বদলে যায় রাজিয়া খাতুনের। এর পর আমাতুল কিবরিয়া কেয়া চৌধুরী এমপি নির্বাচিত হওয়ার পর রাজিয়া খাতুনের জন্য সাহায্যর একটি প্যাকেজ নিয়ে যান তিনি। কেয়া চৌধুরী ঐগ্রামে গিয়ে দেখতে পান রাজিয়া খাতুন একটি নুংড়া জায়গায় জোপড়িঘর বানিয়ে ছেলে এবং মেয়েকে নিয়ে থাকেন। খোজ নিয়ে যানতে পারেন রাজিয়া খাতুনের ঘরের স্থান টুকু নিজের নয়। তাই তিনি তার আত্মীয় স্বজনের সাথে বৈঠক করে বলেন উনি একজন মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন তাই আমাদের উচিৎ তাদের জন্য ভালো একটা কিছু করা। যদি আপনারা ঐ জায়গা টুকু রাজিয়া খাতুনের নামে রেজিষ্ট্রারি করে দেন তাহলে আমি ঐ পরিবারের জন্য একটি ঘর তৈরি করে দেব। এরপর আত্মীয়স্বজনরা ঐ নুংড়া জায়গা টুকু রাজিয়া খাতুনের নামে রেজিষ্ট্রারী করে দেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার রূপকার জননেত্রী শেখ হাসিনার সহযোগীতায় কেয়া চৌধুরী ঐ মুক্তিযোদ্ধা রাজিয়া খাতুনের পুরো বাড়িটুকু নির্মান করেন এবং রাজিয়া খাতুনের ছেলে শহিদুল ইসলাম সড়ক দূর্ঘটনায় একটি পা হারিয়ে ফেলেন ঘর নির্মানের পর একটি পা ও সিলেট জালালাবাদ প্রতিবন্ধি হাসপাতালের সহযোগীতায় কেয়া চৌধুরী শহিদুল ইসলামের চলার সুযোগ করে দেন এবং আশ্বাস দিয়ে বলেন যাতে এই পরিবারের কোন সমস্যা না হয় শহিদুলের জন্য একটি চাকুরির ব্যবস্থা করা হবে। গতকাল বৃহস্পতিবার জালালাবাদ প্রতিবন্ধি হাসপাতালের ডাক্তার এবং শহিদুল ইসলামের মা রাজিয়া খাতুন এর সামনে সুস্থ মানুষের মত হাটিয়ে প্যাকেজটির সমাপ্ত করেন এমপি কেয়া চৌধুরী।