শুক্রবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ২০ মুহররম ১৪৪১

৪১২

সড়কের বাজারের এক ব্যবসায়ীর ১৩ লক্ষ টাকা নিয়ে লাপাত্তা ম্যানেজার

প্রকাশিত: ২০ আগস্ট ২০১৯ ১৪ ০২ ১৫  

কানাইঘাট প্রতিনিধি:: কানাইঘাট উপজেলার সড়কের বাজারের এক ব্যবসায়ীর প্রায় ১৩ লক্ষ টাকা নিয়ে তার দোকানের ম্যানেজার পলাতক রয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে দোকানের মালিক ইউপি সদস্য কাওছার আহমদ বাদী হয়ে তার দোকানের ম্যানেজার জুবায়ের আহমদ ও তার চাচা সৌদি আরব প্রবাসী আব্দুল মতিন এর বিরুদ্ধে কানাইঘাট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এতে ব্যবসায়ীর অভিযোগটি খতিয়ে দেখছে পুলিশ। 
অভিযোগে জানা যায়, কানাইঘাট উপজেলার লক্ষীপ্রসাদ পূর্ব ইউপির ভাটিবারাপৈত গ্রামের মৃত হাফিজ মহসিন আলীর পুত্র জুবায়ের আহমদ সড়কের বাজারস্থ ফাহিম এন্টারপ্রাইজ ও নিউ পানসী রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার ম্যানেজার ছিলেন। সেই সুবাদে সে উক্ত প্রতিষ্ঠানের মালিক ইউপি সদস্য কাওছার আহমদের বাসায় থাকতো। কাওছার আহমদ শারীরিক অসুস্থতার চিকিৎসা নিতে ১৫ দিন ভারতে ছিলেন। সেই সুযোগে তাহার দোকানের ম্যানেজার জুবায়ের আহমদের কাছে তার ৫টি নোহা গাড়ীর গত ৩ মাসের ভাড়ার টাকা জমা ছিলো। এছাড়া তার দু’টি দোকানের খাতাপত্র, হিসাব ও টাকা পয়সা এবং তার স্বাক্ষরিত ২টি চেকের পাতা সহ গত সোমবার বিকাল অনুমান আড়াইটার দিকে সড়কের বাজারস্থ অগ্রণী ব্যাংকের চলিত হিসাব নং (৫৮৫২৩৭৫), মেসার্স ফাহিম এন্টারপ্রাইজ এর হিসাব হইতে ০৬৫২৮৩৭ নং চেকের মাধ্যমে নগদ ৭ লক্ষ টাকা উত্তোলন করে এবং তার দুটি দোকানের ক্যাশে রক্ষিত প্রায় ৬ লক্ষ টাকা সহ অন্তত ১৩ লক্ষ টাকা এবং তার দোকানের যাবতীয় খাতাপত্র নিয়ে গত সোমবার পালিয়ে যায়।
এ বিষয়ে দোকানের মালিক ইউপি সদস্য কাওছার আহমদ জানান, তার ম্যানেজার জাবের আহমদের চাচা সৌদি আরব হইতে সম্প্রতি একটি ভিসা নিয়ে দেশে এসেছেন। এতে উক্ত ভিসা দিয়ে জাবের আহমদকে বিদেশে নেওয়ার জন্য পরামর্শ করে এতে জাবের আহমদ তার চাচার কথায় আমার দোকানের টাকা পয়সা ও খাতাপত্র নিয়ে পালিয়ে যায়। তিনি বলেন, জাবের আহমদের চাচা আব্দুল মতিন দেশে আসার পর থেকে আমার দুটি রেস্টুরেন্টে যাওয়া আসা করতো এবং প্রায় সময় ভাতিজাকে বিভিন্ন পরামর্শ দিত। যাহা আমার দোকানের অন্যান্য কর্মচারীরা বিভিন্ন সময়ে আমাকে অবগত করলে আমি তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করি। এতে সে আমাকে উত্তর প্রদান করে তাহার আপন চাচা বিদেশ থেকে এসেছেন এজন্য তিনি তাকে দেখতে আসেন। তিনি বলেন, অনেক সময় তার দোকান একা রেখে জাবের আহমদ তার চাচার সঙ্গে চলে যেত এবং গত কয়েকদিন থেকে সে ব্যাংকের চেক বহি বিষয় সম্বন্ধে তার চাচাকে অবগত করে। সেই কারণে তার চাচার কু-পরামর্শে সে আমার দোকানের টাকা পয়সা সহ চেক বহির দুটি পাতা নিয়ে লাপাত্তা হয়ে যায়।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কানাইঘাট থানার ওসি মোহাম্মদ শামসুদ্দোহা পিপিএম বলেন, সড়কের বাজারের এক ব্যবসায়ীর এধরনের একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের তদন্ত চলছে। এতে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান তিনি।

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট
এই বিভাগের আরো খবর