শনিবার   ১৭ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ২ ১৪২৬   ১৫ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

৮১৩

সিলেটে হোমিওপ্যাথিক কলেজ নিয়ে অপপ্রচার, ষড়যন্ত্রের বহি:প্রকাশ

প্রকাশিত: ১৪ জুলাই ২০১৯ ১১ ১১ ২৭  

সিলেটের ঐতিহ্যবাহী একমাত্র জালালাবাদ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের সুনাম নষ্ট করতে নানাভাবে ষড়যন্ত্র চালাচ্ছে একটি চক্র। তারা কলেজের সুষ্ঠ নিয়োগকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে ইতোমধ্যে নানা ষড়যন্ত্র করছে। সম্প্রতি সিলেটের স্থানীয় ও জাতীয় দৈনিক পত্রিকা ও অনলাইনে ‘‘হোমিওপ্যাথিক কলেজের নিয়োগ পরীক্ষায় হতাশ বঞ্চিতরা, বিভাগীয় কমিশনার বরাবরে স্মারকলিপি’’ শিরোনামে সংবাদ প্রকাশিত হয়।  উক্ত সংবাদে যে তথ্য দেওয়া হয়েছে- তা সম্পূর্ণ মিথ্যা আখ্যায়িত করে সংবাদের সাথে ভিন্নমত পোষন করে নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন জালালাবাদ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ ডা. এম.এ. মুজাহিদ খান। 
শুক্রবার (১২ জুলাই) এক নিন্দা বার্তায় অধ্যক্ষ ডা. এম.এ. মুজাহিদ খান বলেন, অভিযোগকারীদের মধ্যে অনেকেই বয়স চাকরির মেয়াদোত্তীর্ণ, আবার অনেকেই পরীক্ষায় ফেল করেছে, তারাই অপপ্রচার চালাচ্ছে। অপপ্রচারকারীরা বিভিন্ন সময়ে বয়স শিথিল করে চাকরি দেওয়ার জন্য নানা প্রলোভন দেখিয়ে অধ্যক্ষকে প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছে। কিন্তু অধ্যক্ষ ডা. এম.এ. মুজাহিদ খান তাঁর নীতিতে অটল থেকে নিয়োগ পরীক্ষা সম্পন্ন করায় ওই চক্র নানাভাবে মিথ্যা দিয়ে অপপ্রচার চালাচ্ছে। 
তিনি আরো বলেন, ষড়যন্ত্রকারীরা ‘প্রাক্তন ছাত্র কল্যাণ পরিষদ’ নামে একটি ভুইফোঁড় সংগঠনের ব্যানারে সিলেট জেলা প্রশাসক বরাবরে একটি অভিযোগ তুলে ধরেন। অভিযোগে তারা লিখেছেন- কম জনপ্রিয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যাতে কম প্রার্থীরা আবেদন করেন আর পছন্দের লোককে নিয়োগ দিতে পারেন। কিন্তু তা সম্পূর্ণ ভুল ও বানোয়াট। নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিটি বহুল প্রচারিত জাতীয় দৈনিক সমকাল ও স্থানীয় শীর্ষ পত্রিকা দৈনিক সিলেটের ডাক পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে। 
অভিযোগের সূত্রধরে তিনি আরও বলেন, যারা অভিযোগপত্রে স্বাক্ষর করেছেন তারা অনেকেই বয়স উত্তীর্ণ প্রার্থী, তাছাড়া অভিযোগপত্রে অনেকের স্বাক্ষর জাল করেও দেওয়া হয়েছে। স্বাক্ষরকারীদের মধ্যে ডা. আবুল হোসেন ও ডা. মো. সায়েদুর রহমান জাহেদ বয়স বেশী হওয়ার কারণে বাছাইপর্বেই বাদ পড়ে যান। উল্লেখ্য যে, অভিযোগকারী সংগঠন প্রাক্তন ছাত্র কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ডা. এম.কে খান-এর স্ত্রী ডা. বুশরাতুত তানিয়াও নিয়োগ পরীক্ষায় অকৃতকার্য হয়েছেন। 
অধ্যক্ষ আরো বলেন, সিলেটের ঐতিহ্যবাহী ও একমাত্র হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ জালালাবাদ হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজের সুনাম নষ্ট করতে একটি চক্র মিথ্যা তথ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশ করেছে, যা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। কলেজে নিয়োগ নিয়ে কোন স্বজনপ্রীতি কিংবা পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি বরং সম্পূর্ণ মেধার ভিত্তিতে পরীক্ষার মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। গত ৫ জুলাই সিলেট জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিয়োগ পরীক্ষায় প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত সিলেটের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা ও আইসিটি) আসলাম উদ্দিন স্বয়ং পরীক্ষা কেন্দ্রে উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁর তত্বাবধানেই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এসময় পরীক্ষার হলে দুইজন ম্যাজিস্ট্রেটও ছিলেন। পরীক্ষার প্রতিটি উত্তরপত্র এডিসি আসলাম উদ্দিন নিজেই পূণ:মূল্যায়ন করেন। তাই উক্ত নিয়োগ পরীক্ষায় কোন স্বজনপ্রীতি বা পক্ষপাতিত্ব করা হয়নি। 
পরবর্তীতে এ চক্র মিথ্যা তথ্য দিয়ে কলেজের সুনাম নষ্ট করার হীনচেষ্টা করলে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান কলেজ অধ্যক্ষ ডা. এম.এ. মুজাহিদ খান। 
 

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট
এই বিভাগের আরো খবর