সোমবার   ২৬ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ১০ ১৪২৬   ২৩ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

৪৯

লাভলু ও তারিন অদ্ভুত এক নারকেল গাছের মালিক

প্রকাশিত: ১০ আগস্ট ২০১৯ ১৭ ০৫ ২৫  

বিনোদন ডেস্ক ::  ডিভিডিতে ফয়জু মুন্সি বাংলা ছবি দেখায়। চা দোকানের পেছনে তার মিনি সিনেমা হল। সেখানে গ্রামের পোলাপানের আড্ডাখানা।দুপুরের শো’তে নায়ক জসিম যখন জাম্বুর মাথা ফাটাচ্ছিল বাংলা মদের বোতল দিয়ে, তখনই বাড়ি থেকে খবর পাঠায় ফয়জুর বউ সেতারা- উঠানের পাশে নারকেলগাছ কাঁদছে! ফকির বাবাকে সঙ্গে নিয়ে বাড়ি আসে ফয়জু। নারকেলগাছের গোড়ায় বসে থাকে সারা দিন।সন্ধ্যা নামলে আবারও বাচ্চা কাঁদে। ফকির বাবা ঘোষণা দেয় এটা আধ্যাত্মিক নারকেল গাছ। এই গাছের ছাল খেলে বন্ধ্যা মেয়েদের বাচ্চা হবে। অসুখ সারবে।কথা রটে যায় পুরো অভিরামপুর গ্রামে। শুরু হয় পানি পড়া, গাছের ছাল নেয়ার লাইন। নারকেলগাছের নিচে চেয়ার টেবিল নিয়ে বসে যায় ফয়জু মুন্সি।ফকির বাবা পানি পড়া দেয়। ফয়জু টাকা পয়সা, হাঁস, মুরগী, লাউ কুমড়া- সব বুঝে নেয়। রোগির ঢল নামলে লাঠি আর বাঁশি হাতের সিকিউরিটিও নিয়োগ দেয় ফয়জু। নগদ টাকার গরমে স্ত্রী সেতারা আর ফয়জু তখন আনন্দে ভাসে। এমন একটি একটি চিত্রকল্পের মাধ্যমে ভেসে ওঠে গ্রাম বাংলার কু-সংস্কারের বড় অংশ। আর সেই গল্পটিকেই এবার পর্দায় তুলে আনছেন নাট্যকার-নির্মাতা হিমু আকরাম। নাটকের নাম ‘ফয়জু মুন্সির নারকেলগাছ’।নাটকে ফয়জু মুন্সি চরিত্রে অভিনয় করছেন সালাহউদ্দিন লাভলু ও সেতারা চরিত্রে দেখা যাবে তারিনকে। এ নাটক প্রসঙ্গে সালাহউদ্দিন লাভলু বলেন, ‘সব মিলিয়ে চরিত্রটি বেশ মজার। যদিও এ নাটকের শেষ দিকে দর্শকরা অন্য একটি গল্প পাবেন। যেটা এভাবে ভাবেননি কখনও।’নির্মাতা-নাট্যকার হিমু আকরাম বলেন, ‘এক কথায় আমাদের ফেলে আসা জীবনের গল্প এটি। ছোট বেলায় গ্রামে এ ধরনের বহু ঘটনা দেখেছি। তারই আধুনিক রূপায়ণে ফয়জু মুন্সির নারকেলগাছ। তবে গল্পের শেষটা অন্যরকম হবে।’নাটকটি আসছে ঈদে আরটিভিতে প্রচার হবে নির্মাতা জানান।

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট
এই বিভাগের আরো খবর