শুক্রবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ২০ মুহররম ১৪৪১

১৩২

যৌবনে বিখ্যাত পর্ন তারকা, এখন থাকার ঘরও নেই!

প্রকাশিত: ২৪ আগস্ট ২০১৯ ২১ ০৯ ৫০  

বিনোদন ডেস্ক:: বিশ্বের নামিদামি প'র্ন তারকাদের মধ্যে অন্যতম তিনি। এখন অবশ্য অভিনয় ছেড়েছেন। তারপরও এ বিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প'র্ন তারকাদের মধ্যে বিশ্বে ১১৯তম তিনি। তবে আশ্চর্যের বিষয় হলো, ৩৭ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী এখন গৃহহীন, বাস করছেন যুক্তরাষ্ট্রের লাস ভেগাসে আন্ডারগ্রাউন্ডে। সেখানে বাসাবাড়ির ব্যবহৃত পানি কিংবা বর্ষার মৌসুমে পানি সরে যাওয়ার জন্য নির্মিত টানেলের একটিতে তার ঠাঁই হয়েছে।

তার নাম জেনি লি। আসল নাম স্টেফানি সাদোরা। তিনি এখন লাস ভেগাসের ওই টানেলেই বাস করছেন। বৃষ্টি এলে টানেলের ভেতর পানি জমে যায়। তারপরও সেখানেই মাথা গুঁজে পড়ে আছেন এক সময়ের জনপ্রিয় এই পর্ন তারকা।

টানেলে একাই থাকেন না জেনি লি। সেকানে আরও প্রায় ৩০০ গৃহহীন মানুষ বসবাস করেন। তাদের অনেকেই মা'দকাসক্ত। তবে জেনি লিও মা'দকাসক্ত কিনা তা জানা যায়নি। এরই মধ্যে সেখানে বেশকিছু মানুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব গড়ে তুলেছেন তিনি।

নেদারল্যান্ডসের একটি সংবাদভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্রের কাজে গত জুলাইয়ে ওই টানেলে যান একজন সাংবাদিক। তারা টানেল নেটওয়ার্ক নিয়ে একটি প্রামাণ্যচিত্র নির্মাণ করছিলেন। এ সময় ওই সাংবাদিকের চোখে পড়েন জেনি লি। এরপর তার সাক্ষাৎকার নেন। এ সময় নিজের পরিচয় দেন জেনি লি।

ওই সাংবাদিক বলেন, প'র্ন ছবির জগতে যে দাপুটে জেনি লিকে দেখা গেছে, এখন তাকে দেখে চেনা মুশকিল। তার শরীর ভেঙে গেছে। আগের মতো কোনো চাকচিক্য নেই। তবে তিনি নিজেই এক সময়ের জনপ্রিয় প'র্ন তারকা জেনি লি বলে পরিচয় দিয়েছেন। বলেছেন, প'র্ন জগতে আমি বেশ খ্যাতি পেয়েছিলাম। সেটা হয়তো অনেকটা বিখ্যাতদের চেয়ে বেশি কিছু ছিল।

আরটিএল-৫ নামের একটি চ্যানেলে ওই প্রামাণ্যচিত্র প্রচার করা হয়েছে। এতে জেনি লি’কে বলতে শোনা গেছে, এক সময়ে এতটাই উ'ত্তেজনা সৃষ্টিকারী ছিলাম যে, এখনও কোনো কোনো তালিকায় শীর্ষ ১০০ প'র্ণ তারকার মধ্যে আমার নাম থাকা উচিত।

জেনি লির আসল বাড়ি যুক্তরাষ্ট্রের টিনেসির ক্লার্কসভিলে। তিনি কতদিন এভাবে গৃহহীন হয়ে টানেলে পড়ে আছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। কীভাবে তিনি ওই টানেলে আশ্রয় নিলেন তাও পরিষ্কার নয়। সেখানে পানির কোনো ব্যবস্থা নেই। তা সত্ত্বেও সেখানে বসবাস করে খুব খুশি তিনি।

জেনি লি বলেন, এখানকার মানুষ একে অন্যকে খুব আপন করে নিয়েছে। তবে এখানে বসবাস করা যতটা কঠিন বলে মনে হচ্ছে ততটা কঠিন নয়। এখানে সবাই একে অপরকে সম্মান করে। প্রত্যেকের সঙ্গে প্রত্যেকের সম্পর্ক বেশ ভালো। আমি খুব সুখী। কারণ, আমার যা প্রয়োজন তার সবটাই আছে এখানে। অন্ধকার এই টানেলে আসার কারণে তিনি কিছু খাঁটি বন্ধু খুঁজে পেয়েছেন বলে জিনি লির বিশ্বাস।

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট
এই বিভাগের আরো খবর