সোমবার   ১৯ আগস্ট ২০১৯   ভাদ্র ৩ ১৪২৬   ১৭ জ্বিলহজ্জ ১৪৪০

১৬৫

বিশ্বনাথে শিশু খাদিজা হত্যার ৩ মাসেও গ্রেফতার নেই কেউ

প্রকাশিত: ২৩ জুলাই ২০১৯ ১৭ ০৫ ২৮  

ডেস্ক নিউজ:: সিলেটের বিশ্বনাথে শিশু খাদিজা বেগম (৪) হত্যার সাড়ে ৩ মাস অতিবাহিত হলেও হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতার করতে পারেনি থানা পুলিশ। এ নিয়ে খাদিজার অসহায় পিতা ভ্যান চালক শাহিনুর বারবার পুলিশের দ্বারস্থ হলেও নানা টালবাহানায় পুলিশ ঘটনা এড়িয়ে চলছে। পথানা পুলিশ আসামী গ্রেফতার না করায় আদালতের স্বরণাপন্ন হন কন্যাহারা পিতা শাহিনুর। গত ৮ জুলাই সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩নং আমলী আদালতে তিনি ৪ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। যার নং- বিশ্বনাথ সিআর ২১৭/২০১৯ খ্রিঃ। ভ্যানচালক শাহিনুর ওই উপজেলার সিঙ্গেরকাছ বাজারের প্রবাসী আব্দুস সালামের বাসার ভাড়াটিয়া ও দক্ষিণ সুনামগঞ্জের বীরকলস গ্রামের আসমত আলীর পুত্র। 
মামলা সূত্রে জানা যায়-  প্রতিদিনের ন্যায় গত ৩০ এপ্রিল ভোর ৫টায় স্ত্রী-সন্তানকে ঘুমে রেখে ভ্যান চালাতে যান শাহিনুর। সকাল ৬টায় অজ্ঞাতনামা ২ জন লোক শাহিনুরকে খোঁজ করে শোয়ার রুমে ঢুকেন। কিন্তু শাহিনুরকে না পেয়ে তারা চলে যায়। এরপর শাহিনুরের স্ত্রী সুবেনা বেগমও ঘুমিয়ে পড়েন। সকাল ৮টায় ঘুম থেকে উঠে দেখেন তার মেঝ মেয়ে খাদিজা বেগম বিছানায় নেই। বাড়ির সকল জায়গায় খুঁজাখুজি করে খাদিজাকে না পেয়ে শাহিনুরকে খবর দেন সুবেনা। পরে শাহিন বাড়িতে এসেও সম্ভাব্য সকল স্থানে খুঁজাখুজি করে কোথাও না পেয়ে বিশ্বনাথ থানা পুলিশকে মৌখিকভাবে জানান ও তার মেয়েকে খুঁজে দিতে অনুরোধ করেন। পরে দুপুরে ৩টায় তার পাশের ঘরের তালা ভেঙ্গে খাদিজার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পুলিশ লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরী করে ময়না তদন্তের জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজে প্রেরণ করেন। 
খাদিজা হত্যার ঘটনার পরপরই বিশ্বনাথ থানায় অজ্ঞাতনামা কয়েকজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন নিহত খাদিজার দাদা আসমত আলী। যার নং- ০১ (০২.০৫.২০১৯)। পরে থানা পুলিশ আসামীদের গ্রেফতার কোন পদক্ষেপ না দিলে গত ৮ জুলাই সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩নং আমলী আদালতে তিনি ৪ জনকে আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন। আসামীরা হলেন- বিশ্বনাথের মাঝগাঁও গ্রামের আব্দুল মুতলিবের পুত্র আব্দুস সালাম, আব্দুল জলিলের পুত্র দবির মিয়া, আমতৈল বাজার এলাকার বাসিন্দা মৃত জগবন্ধু মিস্ত্রির পুত্র কার্তিক চন্দ্র মিস্ত্রি ওরফে চানসি বাবু ও মাঝগাঁও গ্রামের শাহাব উদ্দিনের স্ত্রী আফলাতুন বেগম। 
এ ব্যাপারে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মিজানুর রহমান বলেন, খাদিজার ডিএনএ টেস্ট এর জন্য দেওয়া হয়েছে। এর পরে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 
 

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট
এই বিভাগের আরো খবর