বুধবার   ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ২ ১৪২৬   ১৮ মুহররম ১৪৪১

৩৬৭

ফেঞ্চুগঞ্জে পিডিএফের অফিসার মোয়াজ্জেমের অর্থ আত্মসাৎ চেষ্টা

প্রকাশিত: ২০ জুন ২০১৯ ২১ ০৯ ২৮  


 ফেঞ্চুগঞ্জ সংবাদদাতা::  ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার হাটুভাঙ্গা গ্রামে অবস্থিত পল্লী দারিদ্র্য বিমোচন ফাউন্ডেশনের দল নং ৫ সদস্য কোড ২৩ পাস বই নং ০৫৬৩ বিগত ২০/০৩/১৮ ইং তারিখে  ২০,০০০ টাকা উত্তলোন করা হয়। উত্তলিত ব্যক্তির  নাম মোছাঃ মনি বেগম, পিতা মতিন মিয়া, গ্রাম হাটুভাঙ্গা। 

তিনি ২/৪/১৮ ইং থেকে নিয়মিত কিস্তি পরিশোধ করে আসছেন৷ কিন্তু  গত  কিছুদিন পূর্বে তাহার বিবাহ থাকায় এবং পিতার অসুস্থতার কারণে নিয়মিত কিস্তি আদায় করেননি। পরবর্তী সময় তিনি যথারীতি কিস্তি আদায় করে আসছেন। 
যদি মধ্য অবস্থায় তাহার অর্থনৈতিক সংকট থাকায় কিস্তি পরিশোধ না করায় খেলাফিতে পড়ে যান৷ কিন্তু তারপরও তিনি  নিয়মিত কিস্তি দিয়ে আসছেন। 

এ পর্যন্ত তার ১৭/৬/১৯ তারিখ পর্যন্ত  ১২৬৮০ টাকা রয়েছে ।

কিন্তু গত ৬/৫/২০১৯ তারিখে তার বিরুদ্ধে সার্টিফিকেট মামলা নামে একটি নোটিশ পৌছানো হয়৷ সেখানে উল্লেখ করা হয় (১৩৮০০+৩৩১২=১৭১১২) টাকা সুদ ধার্য করা হয়েছে। 
এখানে দেখা যাচ্ছে অবশিষ্ট প্রায় ৮ হাজার টাকায় সুদ এসেছে ১৭১১২ টাকা।

এর মানে কি ডাবল সুদ?

এ ব্যপারে ব্রাঞ্চ অফিসার মোয়াজ্জেম হোসেন এর সাথে ফোনে যোগাযোগ করলে তিনি ব্যপারটি এড়িয়ে যান এবং সুদের কোন কারন বলেননি। 
তিনি এক পর্যায়ে উত্তেজিত হয়ে যা ইচ্ছে তা করে নেবার কথা বলেন, এমনকি তিনি নাকি এক একটি কে পুলিশ দিয়ে ধরে নিয়ে কিস্তি কি তা বুঝিয়ে দেবেন বলে জানান। 

এরকম আরও বেশ কয়েকটি লোন রয়েছে যেগুলো সামান্য খেলাফি হয়েছে কিন্তু সেখানে সুদের পরিমাণ টাকার চাইতে তিনগুন। 

এটা ক্ষুদ্র লোন না অর্থ জালিয়াতি?  এমনকি তদন্ত সুত্রে জানা যায় তিনি এক ব্যক্তিকে একাধিক লোন প্রদান করেছেন। আবার কিছু বইয়ে যাদের লোন দেওয়া হয়েছে তাদের মিথ্যা তথ্য উল্লেখ রয়েছে। 

উল্লেখিত মনি বেগমকে একসাথে ১৭১১২ টাকা ও ফয়জুন বেগমকে ১১৯২৮ টাকা একসাথে পরিশোধ না করলে পুলিশ দিয়ে ধরিয়ে নেবেন বলে জানিয়েছেন। 

দারিদ্র বিমোচন ফাউন্ডেশনের নামে কি চাদাবাজি নাকি ব্যক্তিগত টাকা আত্মসাৎ?

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট
এই বিভাগের আরো খবর