সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৭ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

৭৮

পবিত্র আশুরায় তাজিয়া মিছিলে হাজারো মানুষের ঢল

প্রকাশিত: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৩ ০১ ৫৭  

জাতীয় ডেস্ক::  যথাযথ ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্যের মধ্যদিয়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র আশুরা । কারবালার শোকাবহ ও হৃদয়বিদারক ঘটনার এ দিনটি মুসলিম বিশ্বে ত্যাগ ও শোকের প্রতীক হিসেবে বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ।

আশুরা উপলক্ষে পুরান ঢাকার চানখাঁরপুল এলাকার হোসেনি দালান থেকে তাজিয়া মিছিল বের হয় সকাল সোয়া ১০টার দিকে। পুলিশের কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে শিয়া সম্প্রদায় এই ঐতিহ্যবাহী মিছিলের আয়োজন করেছে।
সকাল ১০টার দিকে কবুতর ও নিশান উড়িয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে তাজিয়া মিছিল শুরু হয়। হোসেনি দালান প্রাঙ্গণ থেকে তাজিয়া মিছিলটি শুরু হয়ে বকশীবাজার, উমেশ দত্ত রোড, লালবাগ চৌরাস্তা, এতিমখানা রোড, আজিমপুর মেটারনিটি, নীলক্ষেত মোড়, সিটি কলেজ, ধানমণ্ডি-২, রাইফেলস স্কয়ার হয়ে ‘অস্থায়ী কারবালায়’(বিজিবি সদর দপ্তরের গেটের উল্টো দিকে) মিছিলটি শেষ হয়।

এর আগে তাজিয়া মিছিলে অংশ নিতে সকাল থেকেই হোসেনি দালান এলাকায় জড়ো হতে থাকেন ধর্মপ্রাণ শিয়া মুসলিমরা।
ম  হানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর দৌহিত্র ইমাম হোসেইন (রা.) এবং তার পরিবার ও অনুসারীরা হিজরি ৬১ সনের ১০ই মহররম সত্য ও ন্যায়ের পক্ষে যুদ্ধ করতে গিয়ে ফোরাত নদীর তীরে কারবালা প্রান্তরে ইয়াজিদ বাহিনীর হাতে শহীদ হন। এ ঘটনা স্মরণ করে মুসলিমবিশ্ব যথাযোগ্য মর্যাদায় দিনটি পালন করে থাকে।

হোসেনি দালান ইমামবাড়ার প্রশাসনিক কর্মকর্তা মির্জা মোহাম্মদ নাকি আসলাম জানান, ৪০০ বছর ধরে পুরান ঢাকায় তাজিয়া মিছিল বের করা হয়। কারবালায় ইমাম হোসেনসহ তার পরিবারকে হত্যার মধ্যদিয়ে যে বিষাদময় ঘটনা ঘটেছে, তার স্মরণে এই মিছিলে বিভিন্ন ধর্ম ও গোষ্ঠীর মানুষ অংশ নিয়েছে।

পবিত্র আশুরা উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পৃথক বাণী দিয়েছেন। এ উপলক্ষে আজ সরকারি ছুটি। দিবসটি উপলক্ষে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট
এই বিভাগের আরো খবর