শুক্রবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ২০ মুহররম ১৪৪১

১১৬

গোয়াইনঘাটে যুক্তরাজ্য প্রবাসীর জায়গা জবরদখল চেষ্টা ও চাঁদা দাবি

প্রকাশিত: ২৫ আগস্ট ২০১৯ ২০ ০৮ ০৬  

স্টাফ রিপোর্ট:: গোয়াইনঘাটে এক যুক্তরাজ্য প্রবাসীর ৬৫ একর জায়গা জবরদখল চেষ্টা ও চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে নগরীর উপশহরের বাসিন্দা মৃত এম খালিকের ছেলে ফয়জুল ইসলাম লেইছের বিরুদ্ধে। রোববার সিলেট প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে নগরীর জালালাবাদ এলাকার বাসিন্দা দবির আহমদ এ অভিযোগ করেন।  
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, গোয়াইনঘাট থানার ফতেহপুরে প্রায় ৬৫ একর ভূমি ক্রয় করে এর মধ্যে ৩৫ একর ভূমিতে ৩০টি পুকুর খনন করে ‘শাহজালাল মৎস্য খামার’  নামে প্রকল্প করেন। অবশিষ্ট ভূমিতে সেগুন, বেলজিয়াম, আকাশি, মেহগুণি, রেনডি, চাম সহ প্রায় ২০ প্রজাতির গাছ রোপন করেন। তার ভাই ফয়েজ আহমদ তা রক্ষণাবেক্ষণ করতেন। ২০০২ সালে ফয়েজ আহমদ মৎস্য উৎপাদনের জন্য জাতিয় পুরুস্কার অর্জন করেন। পরে ফয়েজ আহমদ ব্যবসা-বাণিজ্যে নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়লে ২০১০ সালে ভায়রা ফয়জুল ইসলাম লেইছকে প্রতি বছরের জন্য ৫ লাখ টাকা হারে ৫ বছরের জন্য ভাড়া প্রদান করেন। লিখিত চুক্তিনামা না করে মৌখিকভাবে সরল বিশ্বাসে তাকে ভাড়া দেওয়া হয়। এক বছরের মধ্যে ভাড়ার টাকা পরিশোধ করার শর্ত থাকলেও দিচ্ছি- দিমু বলে লেইছ অদ্যাবদি ভাড়া পরিশোধ করেননি। উপরোন্তু  তাকে না জানিয়ে গোপনে গাছপালা কেটে ও পুকুরের মাছ বিক্রি ও বিভিন্ন লোকের কাছে জায়গা বন্দক ও ভাড়া দিয়ে প্রায় ২ কোটি টাকা পকেটস্থ করেন। 
প্রবাসী দবির আহমদ বলেন, গত ১০ জুলাই দেশে আসার পর লেইছের সাথে দেখা করে ভাড়ার টাকা ও জায়গার বিষয়ে কথা বললে ক্ষিপ্ত হয়ে বলেন, তিনি গুন্ডা বাহিনী নিয়ে জায়গা জবরদখল করে রাখবেন। যদি জায়গা পেতে হয় তাহলে তাকে এক কোটি টাকা চাদা দিতে হবে। এ সময় তিনি প্রাণনাশেরও হুমকি দেন এবং বলেন, সরকার দলীয় প্রভাবশালী নেতাদের সাথে তার সুসম্পর্ক রয়েছে। তাই এই সকল নেতাদের সাথে নিয়ে জায়গা দখল করবেন। এরপর থেকে বিভিন্ন নম্বার থেকে তাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। 
তিনি বলেন, ফয়জুল ইসলাম লেইছের সহযোগী কামরুজ্জামান শিপন, বাবুল মিয়া, ছমির মিয়া, জাকির ও হোসেন আলীসহ অজ্ঞাতনামা আরো ১০/১৫ জনের অব্যাহত হুমকিতে গত ১৬ জুলাই আদালতে তার ভাই ফয়েজ আহমদ একটি মামলা করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে ওই জায়গা যে অস্থায় আছে সেভাবে থাকার জন্য নির্দেশ প্রদান করেন। আদালতের আদেশে ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৩ জুলাই  ও ২৪ নগরীর জালালাবাদ তার বাসার সামনে এসে গুন্ডাবহিনী নিয়ে মোটর সাইকেল মহড়া প্রর্দশন করে এবং হুমকি প্রদান করে। তাদের হুমকির প্রেক্ষিতে তিনি এসএমপি’র বিমান বন্দর থানায় গত ২৬ জুলাই একটি সাধারণ ডায়রি করেন। যার নম্বর হচ্ছে ১১০৯/১৯। 

    


 

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট
এই বিভাগের আরো খবর