শুক্রবার   ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৪ ১৪২৬   ২০ মুহররম ১৪৪১

২৩২

খাদিমনগরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলারী গ্রেফতার

প্রকাশিত: ১৬ আগস্ট ২০১৯ ২৩ ১১ ৩৯  

ডেস্ক নিউজ:: সিলেট সদর উপজেলা খাদিমনগর ইউনিয়নের এয়ারপোর্ট থানার হাফিজ জহুর উদ্দিনের পরিবার ও বসতবাড়ির উপর হামলাকারীকে গ্রেফতার করেছে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ। ১৫ আগস্ট বিকেলে এস. আই. গোপাল চন্দ্র ঘোষের নেতৃত্বে ওয়াহাব উল্লাহর ছেলে মঈন মিয়া (৩৮)-কে গ্রেফতার করে। গত ১৪ আগস্ট হাফিজ জহুর উদ্দিন তার পরিবারের লোকজন ও বসতবাড়িতে হামলার ঘটনায় বাদী হয়ে ৭জনকে আসামী করে মামলা রেডর্ক করা হয়। যার নং ১৬/২০৬। শুক্রবার (১৬ আগস্ট) আসামী মঈন মিয়াকে এয়ারপোর্ট থানা পুলিশ কোর্টে চালান করে দেয়। 
মামলায় উল্লেখ করা হয়, এয়ারপোর্ট থানার সাহেবের বাজার টিলাপাড়া গ্রামের জহুর উদ্দিনের সাথে একই থানার ওয়াহাব উল্লাহর ছেলে মঈন মিয়া, মৃত পাখি মিয়ার ছেলে বাবুল মিয়া, বাবুল মিয়ার ছেলে রুবেল মিয়া ও পাবেল মিয়া, বশির মিয়ার ছেলে আলাল, মৃত আওর আলীর ছেলে হেলাল মিয়া সহ আরো অজ্ঞাত ২/৩ জন আসামীর সাথে পূর্ব বিরোধের জের ধরে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে ১৪ আগস্ট বিকেল সাড়ে ৩টায় মিনিটের সময় জহুর উদ্দিনের বসত বাড়ি ও পরিবারের লোকজনদের উপর হামলা চালায়। পরে জহুর উদ্দিন ও ছেলে দেলোয়ার ধান ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে বের হলে পতিমধ্যে হামলা চালিয়ে গুরুতর আহত করে। ঘটনার সংবাদ পেয়ে জহুর উদ্দিনের স্ত্রী ছায়ারুন নেছা (৫৫) স্বামী ও ছেলেকে রক্ষার চেষ্টাকালে ছায়ারুন নেছাও গুরুতর আহত হন। তাদের শোর চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসলে আসামীরা পালিয়ে যায়। ছায়ারুন নেছা ও দেলোয়ারকে হাসপাতালে নেওয়ার জন্য পুত্রবধূ ইমরানা আক্তার, স্বামী বাহা উদ্দিন দুলাল সিএনজি অটোরিক্সায় উঠা মাত্রই মঈন মিয়া সহ আসামীরা বিকাল অনুমান ৪টা ৫০ মিনিটের সময় পুণরায় হামলা চালায়। এতে ছেলে বাহার উদ্দিন দুলাল ও স্ত্রী ইমরানা আহত হন। হামলাকারীরা দেলোয়ার হোসেনের আইফোনের আনুমানিক মূল্য ৯৫ হাজার টাকা ও বাহা উদ্দিন দুলালের মানিব্যাগে থাকা নগদ ৫ হাজার টাকা এবং ইটালীয় মুদ্রা বাংলাদেশী টাকায় ৪৬ হাজার টাকা ছিনিয়ে নেয় আসামীরা। এতে কোন আইনী ব্যবস্থায় গেলে আসামী প্রকাশ্যে পরিবারের সকলকে খুন ও গুম করার হুমকি প্রদান করে। পরে আহতদের সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। জহুর উদ্দিনের স্ত্রী ছায়ারুন নেছা চিকিৎসাধীন আছেন। 
এ মামলায় অন্যান্য আসামীদের গ্রেফতার করার অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলে জানানা এয়ারপোর্ট থানার ওসি শাহাদাত হোসেন।

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট
এই বিভাগের আরো খবর