সোমবার   ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯   আশ্বিন ৭ ১৪২৬   ২৩ মুহররম ১৪৪১

৭০

কমলগঞ্জে লোকালয় থেকে উদ্ধার করা লজ্জাবতী বানরকে হস্তান্তর

প্রকাশিত: ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ০০ ১২ ০৮  

আসহাবুর ইসলাম শাওন,কমলগঞ্জ থেকে:: মৌলভীবাজার কমলগঞ্জ  উপজেলার মাধবপুর খেলার মাঠের পাশে থেকে বিলুপ্ত প্রজাতির লজ্জাবতী বানর উদ্ধার করেছে চা শ্রমিক সন্তানরা ।
জানা যায়, বুধবার (১১ সেপ্টেম্বর)  বিকালে মাধবপুর ইউনিয়নের মাধবপুর হাই স্কুল মাঠে স্হানীয় চা শ্রমিক কিশোররা ফুটবল খেলার এক ফাঁকে বল চলে যায় মাঠ সংলগ্ন সুন্দরবন শ্মশান ঘাটে। স্হানীয় কিশোর ললিত করি বলটি আনতে গিয়ে দেখে একটি গাছের নিচে বিরল প্রজাতির লজ্জাবতী এই বানরটিকে পড়ে থাকতে দেখে সতীর্থ খেলোয়ার শামীমকে নিয়ে বানরটি উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যায় । 

 পরে বিষয়টি ধলাইয়ের ডাক পত্রিকার বার্তা সম্পাদক  আাসহাবুর ইসলাম শাওন কে জানালে,তিনি বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের সহকারী বন সংরক্ষক আনিসুজ্জামানকে খবর দিলে, তার নির্দেশে এদিন রাত ১০ টায় বন্যপ্রাণী সংরক্ষণের বনকর্মী মো. বুলবুল মোল্যার কাছে বিরল প্রজাতির এ লজ্জাবতী বানরটিকে ধলাইয়ের ডাক পত্রিকার বার্তা সম্পাদক আাসহাবুর ইসলাম শাওন হস্তান্তর করেন। তিনি জানিয়েছেন বানরটিকে সংরক্ষিত অঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে।
বণ্যপ্রাণী সংরক্ষণের সহকারী বন সংরক্ষক আনিসুজ্জামান জানান, বন ধ্বংস এবং বনে খাদ্যের অভাবের কারণে বন্যপ্রাণীরা লোকালয়ে চলে আসে।
তিনি আরো জানান, লজ্জাবতী বানর নিশাচর প্রাণী। বছরে একবার একটি করে বাচ্চা দেয়। ইংরেজি নাম Slow loris এবং বৈজ্ঞানিক নাম Nzcticebus coucang। গহীন সবুজ বনের ভেতরে লম্বা গাছের মগডাল থেকে গাছের কচিপাতা, গাছের আটা, কষ, ছোট ছোট পোকামাকড়, ছোট পাখি ও এবং বিভিন্ন প্রাণীদের ডিম এদের খাদ্যের তালিকায়ে রয়েছে। তবে অন্য বানরের মতো হাত দিয়ে খায় না এরা। পাখির মতো সরাসরি মুখ লাগিয়ে খায়। খুব শান্ত স্বভাবের।

এদিকে উদ্ধার করা বানরটি হস্তান্তরের সময় বানর এক নজর দেখতে উৎসুক জনতার ভিড় জমে বাড়িতে।
 

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট
এই বিভাগের আরো খবর