শনিবার   ২০ জুলাই ২০১৯   শ্রাবণ ৪ ১৪২৬   ১৭ জ্বিলকদ ১৪৪০

২৭১

ইতিহাস স্মরনে নয়ন ভাসে জলে ! 

শেখ মিলি:

প্রকাশিত: ১২ জুন ২০১৯ ১৯ ০৭ ১৬  

দিন রাতে সময় অনেক গড়িয়েছে। অন্ধকার পেরিয়ে আলোতে আলোময় নতুন এক অধ্যায়ে প্রিয় বাংলাদেশ। ঘাত-প্রতিঘাতের সিড়ি বেয়েই জীবন রচনা। কখনো অতীত হাসায়, কখনো কান্নায় বুক ভাসে। মনে পড়ে অসহায়ত্বেও নানা স্মৃতি। দুর-জন আপন হয়, কাছের চেনা মানুষ মুর্হুতেই রূপ পাল্টে অচেনা হয়ে যায়। এটাই নিয়তি, সৃষ্টিকর্তা কখন কিভাবে মানুষকে  আশা-ভরশায় জাগিয়ানা ভরে  রাখেন একান্ত সেই কর্তৃত্বই তার। .তাওয়াক্কালতু আলাল্লাহ লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লাহ বিল্লাহ' অর্থাৎ 'আল্লাহর নামে বের হলাম, আল্লাহর ওপর ভরসা করলাম, আমার কোনো উপায় নেই, ক্ষমতা নেই আল্লাহ ব্যতিত।  ঈমানদার সেকারনে অবিচল থাকে  
লক্ষ্য পূরনে। বিলম্ব হতে পারে ব্যর্থ হয় না তারা। তাই আমরাও পথ হারাইনি। গত ওয়ান ইলেভেন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আপা (বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের সভানেত্রী বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা) যখন সাব জেলে বন্দি ছিলেন।  সেই সময় আমি এবং আমার আব্বা ( শেখ আকরাম হোসেন) সহ পরিবারের সদস্যরা দেখা করতে তৎকালীন ডিআইজি (প্রিজন) মেজর শামসুল হায়দার সিদ্দিকীর সাথে ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করি। কিন্তু ক্ষমতার চরম অপ-ব্যবহারে অনুমতি জুটেনি আমাদের। আপাকে সাব কোর্টে নিয়ে আসলে দেখা করতে কোর্টে যেতাম আমরা। এক পর্যায়ে নিয়মের শেকলে দেখা করার সৌভাগ্য ঘটে পরিবারের সদস্যদের। তাদের মধ্যে আমিও ছিলাম ইতিহাসের স্বাক্ষী হিসেবে। সময়ের অশুভ যাত্রায় পরিচিত অনেকে গা-ঢাকা দিয়েছিলেন। কিন্তু তারা একেবারে  হাওয়া হননি যাননি, সাব জেল থেকে  মুক্ত  হওয়ার পর তারা বীরদর্পে (!) পাশে এসে নোঙ্গর তুলেছিলেন আপার । বর্ণনাতীত সে এক লজ্জা / সাহসের  বড় ইতিহাস (!) । ইতিহাসের বিবেচনায় কেউ হয় কাপুরুষ, বেইমান কেউ আবার ত্যাগি, পরীক্ষিত বা  বীর উপাধিতে স্থান করে নেয় পরম্পরায়। লেখার পিঠে লেখা এসে যায়, কিন্তু লেখা তো শেষ হবার নয়। তবু থামাতে হয়, কেননা অতীতের কাঁদো মন আগামীর পথ চলায় সাহস ও সর্তকতার বার্তা রাখে জিইয়ে ।  

লেখক: মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর মামাতো বোন শেখ মিলি
 

Dream Sylhet
ড্রীম সিলেট
ড্রীম সিলেট